সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

অক্টোবর ৩, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হিমবাহ ক্ষয়কার্যের বোধমূলক প্রশ্ন

হিমবাহ ক্ষয় ও সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ চ্যাপ্টার থেকে যে ধরণের 3marks প্রশ্নগুলি থাকে সেগুলি সুন্দর এবং সরলীকরণ করে তোমাদের সামনে উপস্থাপন করলাম তোমরা বিভিন্ন বই ছাড়াও এই ধরনের নোটগুলি তোমরা পড়তে থাকো এবং দেখবে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তোমরা পেয়ে যাবে। ১) হিমবাহকে বরফের নদী বলা হয় কেন? উত্তর:- সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চল বা শীতল মেরু অঞ্চলে হিমরেখার ওপরে সারাবছর তুষারপাত হয়। সেই তুষার দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত হয়ে বরফ স্তুপে পরিণত হয়। তারপর ওই জমাটবাধা বরফের স্তুপ সঞ্চিত বরফের চাপে বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে অত্যন্ত ধীরে ধীরে ভূমির ঢাল বেয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। এইরূপ ধীরগতিসম্পন্ন চলমান বরফের স্তুপ কে হিমবাহ বলে। যেহেতু হিমবাহ মাধ্যাকর্ষণের টানে উপর থেকে নিচে নামে সেহেতু হিমবাহ বরফের নদী বলে। ২) পৃথিবীর সব হিমরেখা একই উচ্চতায় থাকে না কেন?  উত্তর:- ভূপৃষ্ঠে যে উচ্চতার ওপরে সারাবছর তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে থাকে সেই উচ্চতায় হিমরেখা অবস্থান করে। সাধারণভাবে বায়ুমন্ডলের নিচের স্তরে সমুদ্রতল থেকে প্রতি 165 মিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে ত...

নদ/নদীর ছোটো প্রশ্ন

১) নদী কাকে বলে?  উত্তর:  নদী:-পর্বত বা উচ্চ মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে কোন জলধারা ভূমি ভাগের ঢাল অনুসারে একটা নির্দিষ্ট খাতে প্রবাহিত হয়ে কোন হ্রদ বা অন্য কোন জলধারায় মিলিত হয় তাকে নদী বলে। যেমন—গঙ্গা, গোদাবরী মহানদী প্রভৃতি।  ২) নদীর উৎস কাকে বলে?   উত্তর:- নদীর উৎস:- নদী যেখানে উৎপন্ন হয় সেই স্থানকে নদীর উৎস বলে। যেমন— গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ স্থান গঙ্গার উৎস। ৩) নদীর মোহনা কাকে বলে?  *উত্তর*:- নদীর পতিত স্থানকে মোহনা বলে। যেমন—বঙ্গোপসাগরের সাথে যেখানে গঙ্গা নদী মিলিত হয়েছে সেই স্থানকে গঙ্গার মোহনা বলে।  ৪) উপনদী কাকে বলে?  *উত্তর*:- যেসব ছোট ছোট নদী প্রধান নদীর সাথে মিলিত হয়, তাদের উপনদী বলে। যেমন— যমুনা, কোশী, প্রভৃতি নদী গঙ্গার উপনদী। ৫) শাখা নদী কাকে বলে?  *উত্তর*:- *শাখা নদী*:- প্রধান নদী থেকে যেসব জলধারা শাখার আকারে বের হয়ে অন্যত্র মিলিত হয় তাদের শাখা নদী বলে। যেমন—ভাগীরথী, হুগলি, পদ্মা প্রভৃতি গঙ্গার শাখা নদী। ৬) নদীর উপত্যকা কাকে বলে?  *উত্তর*:- *নদী উপত্যকা*:- উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত গতিপথের যে খাতের মধ্য দিয়ে...

বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ

১) গিরিখাত:-   উত্তর:- পার্বত্য প্রবাহে নদীর ক্ষয়কার্য দ্বারা সৃষ্ট একটি অন্যতম ভূমি হলো গিরিখাত।  ♦ গিরিখাত:- পার্বত্য অঞ্চলে নদীর পার্শ্ব ক্ষয়ের চেয়ে নিম্ন অধিক হয়। প্রবল স্রোতের বেগ এবং স্রোতের সাথে বাহিত শিলাখণ্ড নদীগর্ভে ঘর্ষণের ফলে নদীর তলদেশে অধিক ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং নদীগুলি খাড়াভাবে নিচের দিকে নেমে যায়। এইরূপ সুগভীর ও সংকীর্ণ নদীখাতকে গিরিখাত বলে। উদাহরণ:- চীনের ইয়াংসিকিয়াং নদীর ইচাং গিরিখাত পৃথিবীর একটি শ্রেষ্ঠ গিরিখাত‌। ২) ক্যানিয়ন:-   উত্তর:- পার্বত্য প্রবাহে নদীর ক্ষয় কার্যের দ্বারা সৃষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিরূপ হল ক্যানিয়ন। ♦  ক্যানিয়ন:- শুষ্ক অঞ্চলে গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলে। শুষ্ক মরু বা মালভূমি এলাকায় বৃষ্টিপাতের অভাবে পার্শ্ব ক্ষয় একেবারে হয় না। এই এলাকায় কোন শিলার অপর দিয়ে খরস্রোতা নদী হয়ে গেলে নিম্ন ক্ষয়ের ফলে খাড়া পাড় বিশিষ্ট যে সংকীর্ণ, সুগভীর ও দীর্ঘ খাতের সৃষ্টি হয় তাকে ক্যানিয়ন বলে। উদাহরণ:- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো নদীর “গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন” পৃথিবীর বিখ্যাত। ৩) জলপ্রপাত:-   উত্তর:- পার্বত্য প্রব...