সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রয়াস-আকর্ষণ উপাদান

প্রয়াস-আকর্ষণ উপাদান কাকে বলে?  What is Push-pull factor ? প্রয়াস উপাদান (Push Factor)   মানুষ যখন তার নিজের অঞ্চল থেকে অন্য কোন অঞ্চলে সুযােগ সুবিধা, প্রতিপত্তি দেখে আকৃষ্ট হয় তখন তাকে প্রয়াস উপাদান [Push Factor] বলে।   ১. বেকারত্বের আবদ্ধতা কাটাতে চেষ্টা করে ২. অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা লক্ষ্য করা যায়।  ৩. কম পারিশ্রমিক ও অনুন্নত জীবনযাত্রা। ৪. রাজনৈতিক অস্থিরতা গ্রাস করে।  ৫.গবেষণা করা, অন্যান্য সুযােগ থেকে বঞ্চিত হয়। আকর্ষণ উপাদান (Pull Factor) মানুষ যখন তার বসবাসকারী অঞ্চলের অনগ্রসরতা, পরাধীনত বেড়াজাল টপকে নতুন অঞ্চলে বসবাসের জন্য যায় তখন ঐ উপাদানগুলিকে আকর্ষন উপাদান [Pull Factor] বলে ।  ১. অধিকতর উন্নত অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ। ২. অধিক আয়, বেশি বেতন। ৩. উন্নত জীবনযাত্রা।  ৪.শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বিদেশ যাত্রাসহ বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে। ৫.পদোন্নতির ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

ভারতের বনভূমি

 ১) ভারতের বনভূমি সংরক্ষণ প্রয়োজনীয় কেন?  অথবা, ভারতে বনভূমি সংরক্ষণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন?   উত্তর: ভারতে বনভূমি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব:- ভারতের বনভূমি দেশের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক সম্পদ। এই সম্পদকে প্রযুক্ত ভাবে সংরক্ষিত করলে মানুষের অশেষ কল্যাণ সাধিত হয় ‌। এই ধরনের জাতীয় সম্পদ কে পরিকল্পিতভাবে রক্ষা করা দরকার। বনভূমি সংরক্ষণের ফলে আমরা বিভিন্ন ভাবে উপকৃত হই। যেমন— ১) বনভূমি ভূমি ক্ষয় নিবারণ করে:- বনভূমির গাছের শিকড় মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে থাকে বলে ভূমিক্ষয় হয়না। ২) বনভূমি মাটির উর্বর শক্তি বৃদ্ধি করে:- গাছের পাতা, ফুল, মূল, কান্ড প্রভৃতি পছে মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি করে। ৩) বনভূমি মরুভূমির প্রসার রোধ করে:- বায়ুর গতিপথে বনভূমি থাকলে মরুভূমির প্রসার ঘটতে পারে না। ৪) বনভূমি জীবজগতের ভারসাম্য রক্ষা করে:- গাছেরা প্রাণিজগতের পক্ষে ক্ষতিকর বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে এবং শ্বাসকার্যের পক্ষে অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে। ৫) ভারতীয় বনভূমি বিভিন্ন সম্পদে সমৃদ্ধ:- বনভূমি থেকে বিভিন্ন প্রকার কাঠ, মধু, লাক্ষা, ফল, পশুখাদ্য প্রভৃতি পাওয়া...

ভারতের কৃষিকাজ (দশম শ্রেণি)

1) বাজার বাগান কৃষি কাকে বলে ?  উত্তর)  সংজ্ঞা : যে কৃষি ব্যবস্থায় বাজারকেন্দ্রিক  আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞানের এর মাধ্যমে বৃহদায়তনের সব্জী , ফল ও ফুলের চাষ করা হয় তাকে বাজার বাগান কৃষি (Horticulture) বলে। নামকরণ : ,Horticulture ,  শব্দটি লাতিন শব্দ , Hortus , অর্থাৎ বাগান বা , Garden , এবং Culture , অর্থাৎ চাষ থেকে এসেছে। উদাহরণ : উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের নেদারল্যান্ড, ফ্রান্স,জার্মানি প্রভৃতি দেশে বাজার বাগান কৃষি অধিক দেখা যায়। 2) বাজার বাগান কৃষির প্রধান ফসল গুলির নাম লেখ ? উত্তর)  বাজার বাগান কৃষির প্রধান ফসল হল শাকসবজি, ফলমূল ও ফুল। ১) ওলেরিকালচার : সারাবছর শাকসবজি চাষকে ওলেরি কালচার বলে।  যেমন-- টম্যাটো,আলু,কপি ,গাজর । ২) পোমাম বা পমিকালচার : সারাবছর ফলমূলের চাষ কে পোমাম কালচার বলে।  যেমন -- আঙুর, আপেল, নাসপাতি প্রভৃতি। ৩) ফ্লোরিকালচার : সারা বছর ধরে হয় এমন ফুলের চাষ কে ফ্লোরিকালচার বলে।   যেমন -- চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া প্রভৃতি। 3) হর্টিকালচার  বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ ? উত্তর) বৈশিষ্ট্য :  ১) উচ্চ ফলনশীল বীজ, পর্য...

ভারতের জলবায়ুর ছোটো প্রশ্ন

  1) ‘বন্যা’ কাকে বলে?   *উত্তর*:- কোন একটি বিস্তীর্ণ স্থলভূমি যখন বেশ কিছুদিনের জন্য বিশাল জলরাশি দ্বারা আবৃত থাকে তখন তাকে বন্যা বলে।   2) খরা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে ?   *উত্তর*:  *খরা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি*:- ১) জলধারে জল জমা করে সেই জলের সাহায্যে সেচের সুযোগ বৃদ্ধি করতে পারলে খাবার কিছুটা মোকাবিলা করা যায়। ২) গাছপালা বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে বলে কৃত্রিম বনভূমি সৃষ্টি করে বা বন সংরক্ষণ করে খরা প্রতিহত করা যায়। ৩) বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এবং উন্নত মানের আবহাওয়া গবেষণাগার স্থাপন করে কোন বছরের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা সংকেত দেওয়া সম্ভব হয়। এর ফলে খরার মোকাবেলার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পাওয়া যায়। 3) ∆ ‘ *মৌসুমি বিস্ফোরণ’*( Burst of monsoon)    *উত্তর*:- গ্রীষ্মকালে ভারতের উত্তর-পশ্চিম অংশে গভীর নিম্নচাপ বলয় সৃষ্টি হয় এবং তা ক্রমশ প্রবল শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এই নিম্নচাপের আকর্ষণে সুদূর ভারত মহাসাগরের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে আদ্র বায়ু আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর হয়ে ভারতে প্রবেশ করে। দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে...

ভারতের জনসংখ্যা ও জনগণনা

 *ভারতের জনসংখ্যা ও জনগণনা* ★ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ। (চীন প্রথম) ★ভারতের ক্ষেত্রফল পৃথিবীর মোট ক্ষেত্রফল এর প্রায় 2.4%, অথচ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার 17.50% ভারতে বসবাস করে। ★ভারতে আদম শুমারি শুরু হয়েছিল 1872 সালে। স্বাধীন ভারতের প্রথম আদমশুমারি হয় 1951 সালে। ★ভারতের সর্বশেষ ও পঞ্চম আদমশুমারি হয় 2011 সালে। ∆2011 সালের জনগণনা অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য তথ্য∆ ★জনসংখ্যা ও জনঘনত্ব★ *ভারতের মোট জনসংখ্যা (Total Population) 121,01,93,422 যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা 62.3 কোটি(মোট জনসংখ্যার51.48%) এবং মহিলার সংখ্যা 58.68কোটি(মোটজনসংখ্যার48.52%)। *2001-11 সাল পর্যন্ত ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (Decadal Groth Rate)17.64%। এই সময়ে জনসংখ্যা বেড়েছে 18.2 কোটি। *ভারতে অপ্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা  (Child Population) (0-14 বছর) 37.24 কোটি(মোট জনসংখ্যার  প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা (Adult Population) (15-59 বছর) 72.95কোটি(মোটজনসংখ্যার 60.3%) এবং  60 বছরের উর্ধ্বের জনসংখ্যা(Old Age population)10.83কোটি(মোট জনসংখ্যার 8.9%) *ভারতের নির্ভরশীল জনসংখ্যা-48.07কোটি। *মোট প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যার প্...

ভারতের মৃত্তিকা/ভূগোল প্রস্তুতি/School service commission/SLST

ভারতের মৃত্তিকা  ভারতের মৃত্তিকা সংক্রান্ত সাধারণ তথ্য *The Indian Council of Agricultural Research(ICAR) বা ভারতীয় কৃষি গবেষণা বিভাগ 1953 সালে জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য, উৎপত্তি, স্বাভাবিক উদ্ভিদ ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে ভারতের মাটিকে 8টি প্রধান শ্রেণিও 26 টি উপ বিভাগে বিভক্ত করে। যথা- 1) পলিমাটি,      2) কৃষ্ণ মৃত্তিকা ,         3) ল্যাটেরাইট মাটি , 4) লোহিত মাটি,         5) লবণাক্ত ও ক্ষারীয় মাটি , 6) পার্বত্য মাটি,         7) মরু অঞ্চলের মাটি এবং 8) জলাভূমির মাটি। *উত্তরাখণ্ড রাজ্যের দেরাদুনে ভারতের মাটি গবেষণাগার অবস্থিত। *ভারতের কৃষি গবেষণা বিভাগ (ICAR)- এর অধীনস্থ 'National Bureau of Soil Survey and Land Use Planning' - এর সদর দফতর মহারাষ্ট্রের নাগপুরে অবস্থিত।   ভারতের প্রধান প্রধান মৃত্তিকা সমূহ মৃত্তিকার নাম 1. পলি মৃত্তিকা (Alluvial soil) *ভৌগোলিক বন্টন- (সিন্ধু -গঙ্গা- ব্রহ্মপুত্র সমভূমি) *আয়তন- প্রায় 15 লক্ষ বর্গ কিমি *শতাংশ (%)- প্রায় 45.6% বৈশিষ্ট্য 1) এই জাতীয় মাটিতে ফসফরাস ...

ভারতের মৌসুম জলবায়ুর

নিচের প্রশ্নগুলি 3 marks  খুব গুরুত্বপূর্ণ তাই সকলকে বলবো গুরুত্বসহকারে প্রশ্নগুলি পড়তে থাকুন এবং নিজের উত্তরের খাতায় পাশাপাশি উত্তর গুলো দেখে নেওয়ার চেষ্টা করো। যে সমস্ত দুস্থ এবং মেধাবী ছাত্র ছাত্রী শিক্ষকের কাছে পড়ার জন্য অর্থনৈতিক সমস্যা থাকে তাদের ক্ষেত্রে বলব আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে ভূগোল বিষয় গুলি গ্রহণ করো এবং তোমরা অবশ্যই ভালো রেজাল্ট করতে পারবে। ১) ★ভারতকে “মৌসুমি জলবায়ুর দেশ” বলা হয় কেন?  অথবা,   ভারতের জলবায়ুতে “মৌসুমি জলবায়ু” বলে কেন?  *উত্তর*:- ‘মৌসুমী’ শব্দটির উৎপত্তি আরবি শব্দ ‘ মৌসিম’ থেকে। আরবি ‘ মৌসিম ’ শব্দের অর্থ " ঋতু" । ঋতু অনুসারে প্রবাহিত বায়ু কে মৌসুমী বায়ু বলে। ভারতের জলবায়ু প্রধানত মৌসুমী বায়ু কোন বায়ু প্রবাহ দ্বারা সর্বাধিক প্রভাবিত। গ্রীষ্মকালে আর্দ্র দক্ষিণ- পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং শীতকালে শীতল ও শুষ্ক উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। এই দুই বিপরীত ধর্মী বায়ু প্রবাহের মাধ্যমে ভারতের জলবায়ুতে বিপরীতধর্মী দুটি প্রধান ঋতু সৃষ্টি হয়েছে। একটি আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং অপরটি শুষ্ক শীতকাল। আবার এই দুই মৌসু...

ভারতের মৌসুম জলবায়ু

ভারতের মৌসুমী জলবায়ু সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য জানতে আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেলটি সার্চ করুন এবং দুস্থ ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীর কাছে আপনারা পৌঁছে দিন যারা অর্থের অভাবে পড়াশোনা ঠিকঠাক করতে পারছে না। YouTube Geography short route,Rabi Sankar sahoo ১) ভারতের জলবায়ু নিয়ন্ত্রক গুলি সম্পর্কে আলোচনা করো?   *উত্তর*: ∆ * ভারতের জলবায়ুর নিয়ন্ত্রক সমূহ:- যেসব উপাদান ভারতের জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে সেগুলি হল— ১) *অক্ষাংশ*:- ভারতের প্রায় মাঝখান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা বিস্তৃত। সুতরাং অক্ষাংশগত অবস্থান অনুসারে ভারতের উত্তরাংশে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল এবং দক্ষিণাংশ উষ্ণ অঞ্চলের অন্তর্গত। তাই দক্ষিণ ভারতের চেয়ে উত্তর ভারতে উষ্ণতা সাধারণভাবে কম। ২) *সমুদ্রতল থেকে উচ্চতা*:- সমুদ্রতল থেকে কোন স্থানের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে তার তাপমাত্রা হ্রাস পায়। এইজন্য গাঙ্গেয় সমভূমির চেয়ে হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে উষ্ণতা যথেষ্ট কম। ৩) *সমুদ্র থেকে দূরত্ব*:- যে স্থান সমুদ্র উপকূল থেকে যত দূরে অবস্থিত, সেখানে দিন ও রাতের এবং শীত-গ্রীষ্মের তাপমাত্রার পার্থক্য ততো বেশি হয়। উত্তর ও উত্তর- পশ্চিম ভারত সমুদ্র উপকূল থেকে বহু...

ভারতের হ্রদ

∆   ভারতের হ্রদ   ∆ *ভারতের বৃহত্তম স্বাদু জলের হ্রদ - উলার হ্রদ। *ভারতের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত লবণাক্ত জলের হ্রদ - সম্বর হ্রদ। *কুমায়ুনকে (নৈনিতাল )  'Lake district of India'     বলা হয়। *ভারতের উচ্চতম হ্রদ- উত্তরাখণ্ডের গারোয়ালের দেবতাল। *ভারত তথা এশিয়ার বৃহত্তম লেগুন - চিলকা। *উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম হ্রদ-   লোকটাক (মনিপুর)। *ভারতের বৃহত্তম জলাভূমি (Wetland) - ভেমবানাদ কয়াল। *ভারতের বৃহত্তম মনুষ্যসৃষ্ট হ্রদ- গোবিন্দ বল্লভপন্থ সাগর(রিহান্দ জলাধার)। ভারতের উল্লেখযোগ্য  হ্রদ  সমূহ প্রকৃতি 1. অভ্যন্তরের স্বাদু জলের হ্রদ A)   রাজ্য - জম্মু-কাশ্মীর         *হ্রদ-   ডাল, উলার,শেষনাগ(ভূসংস্থান গত প্রক্রিয়ার ফলে উলার হ্রদ এর সৃষ্টি হয়েছে। B)   রাজ্য-   উত্তরাখণ্ড       *হ্রদ-   নৈনিতাল, সাততাল, ভিমতাল, নাউকুচিয়াতাল C)   রাজ্য - মনিপুর          *হ্রদ- লোকটাক D)   রাজ্য - কেরল       *হ্রদ- স্...

ভারতের নদ ও নদীর ছোটো প্রশ্ন

  1) ★“দক্ষিণ ভারতের শস্য ভান্ডার” কাকে বলে? কেন?   উত্তর:- কাবেরী নদীর বদ্বীপ কে “দক্ষিণ ভারতের শস্য ভান্ডার” বলা হয়। কারণ এই বদ্বীপ উর্বর ও কৃষি সমৃদ্ধ। 2)  ★দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি খরস্রোতা কেন?  উত্তর:- দক্ষিণ ভারতের ভূমিরূপ বন্ধুর প্রকৃতির। তাই দক্ষিণ ভারতের উপর দিয়ে প্রবাহিত নদীগুলির খরস্রোতা। 3)  ★“আদর্শ নদী” কাকে বলে ?   উত্তর: আদর্শ নদীর সংজ্ঞা:-যে নদীর গতিপথে অর্থাৎ উচ্চ গতিতে ক্ষয়কার্য, মধ্য গতিতে বহন কার্য এবং নিম্নগতিতে সঞ্চয় কার্য সুস্পষ্টরূপে দেখা যায় তাকে আদর্শ নদী বলে। 4)  ★ টীকা লেখো: ∆ ভারতের হ্রদ সমূহ:( Lakes of India)   উত্তর:- ভারতের সুপেয় ও লবণাক্ত উভয় প্রকার জলের হ্রদ দেখা যায়। ভারতের হ্রদ গুলি খুব বেশি বড় নয়, আবার তাদের সংখ্যাও বেশি নয়। ১) সুপ্রিয় বা মিষ্টি জলের হ্রদ:- কাশ্মীরের ডাল ও উলার হ্রদ, হুমায়ুন অঞ্চলের নৈনিতাল, ভীম তাল, সাততাল,  ও মনিপুরের লোগতাক প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। ২) লবণাক্ত জলের হ্রদ:- রাজস্থানের সম্বর, পুষ্কর, দিদওয়ানা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ভারতের পূর্ব পশ্চিম উপকূলে আছে কিছু উপহ্রদ। এ...

ভারতের নদ ও নদীর যুক্তি ভিত্তিক প্রশ্ন

১) ★ গঙ্গা কে আদর্শ নদী বলা হয় কেন ?   ∆ *গঙ্গা কে আদর্শ নদী বলার*  *কারণ*:- গঙ্গা নদীর গতিপথে উচ্চগতি, মধ্যগতি ও নিম্নগতি এই তিনটি অবস্থা সুস্পষ্ট দেখা যায়। গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ গুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি। এই উৎসস্থল থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত উচ্চগতি বা পার্বত্য গতিতে সাধন করে, হরিদ্বার থেকে রাজমহল পর্যন্ত মধ্য গতিতে বহন করে এবং রাজমহলের পর থেকে বঙ্গোপসাগরের উপকূল অর্থাৎ মোহনা পর্যন্ত নিম্নগতিতে পলি জমা করে বদ্বীপ সৃষ্টি করে। তাই গঙ্গা নদী কে ভারতের আদর্শ নদী বলে। ২) ★ দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের উপযোগী কেন?  *উত্তর*:- মালভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে দক্ষিণ ভারতের নদীগুলি অত্যন্ত খরস্রোতা। আর খরস্রোতা নদী জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পক্ষে বিশেষ উপযুক্ত। প্রায় সমগ্র দক্ষিণাত্ম মালভূমির ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর ও অসমতল। তাই নদীগুলি স্বাভাবিকভাবে খরস্রোতা হওয়ায় জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পক্ষে বিশেষ উপযোগী। ৩) ★ দক্ষিণ ভারতের অধিকাংশ নদী পূর্ব বাহিনী কেন?   *উত্তর*:- দক্ষিণ ভারতের প্রধান নদীগুলি দক্ষিণাত্যের মালভূমি পশ্চিম দিকে অবস্থিত পশ্চিমঘাট পর্বত থেকে উৎপন...

ব্রহ্মপুত্র নদ (Brahmaputra River)ও উপনদী

 ∆ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra)  জল প্রবাহের পরিমাণ অনুসারে ব্রহ্মপুত্র ভারতের বৃহত্তম নদ। উৎস:   তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে চেমায়ু়ং দুং হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে এই নদ পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়েছে। প্রবাহ পথ:   তিব্বতে এটি সাংপো নামে পরিচিত। পূর্ব-হিমালয়ের নামচাবারোয়া শৃঙ্গের গভীর গিরিখাত অতিক্রম করে নদীটি ডিহং নামে ভারতের অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করেছে। *অসমের সাদিয়ার কাছে ডিহং নদীটি ডিবং ও লোহিত নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নামে ধুবড়ি পর্যন্ত প্রবাহিত হয়েছে। *ধুবড়ির পর এই নদী বাংলাদেশে যমুনা নামে প্রবেশ করে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিশেছে এবং এই দুই নদীর মিলিত প্রবাহ মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। দৈর্ঘ্য:   মোট দৈর্ঘ্য 2900 কিমি । ভারতে এর 916 কিমি প্রবাহিত হয়েছে। উপনদী সমূহ: ব্রম্মপুত্রের-  ডান তীরের উপনদী গুলি হল- সুবনসিরি,কামে়ং ,বেলসিরি, তিস্তা প্রভৃতি।  বামতীরের উপনদী গুলি হল- বুড়ি ডিহং, ধানসিরি,ডিসং প্রভৃতি।

সিন্ধু নদীর গতিপথ ও উপনদীর বর্ণনা

  ★সিন্ধু (Indus) ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য পূর্ববর্তী নদী (Antecedent river) হল সিন্ধু। উৎস: তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে সিঙ্গ-খাবাব হিমবাহ থেকে সিন্ধু নদের উৎপত্তি হয়েছে। প্রবাহপথ : উৎস থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ট্রান্স হিমালয় অংশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর সিন্ধু নদ লাদাখ ও জাস্কার পর্বতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে। লে শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যাক কোন নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এরপর সিন্ধু নদ নাঙ্গা পর্বতের গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণমুখী বাক নিয়ে পাকিস্তানের উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে করাচির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আরব সাগরে পতিত হয়েছে। দৈর্ঘ্য: সিন্ধুর মোট দৈর্ঘ্য 2880 কিমি. কিন্তু ভারতের এর মাত্র 800.75 কিমি প্রবাহিত হয়েছে। উপনদী : বাম তীরের পাঁচটি প্রধান উপনদী শতদ্রু, বিপাশা, ইরাবতী, চন্দ্রভাগা ও বিতস্তা। সিন্ধুর প্রধান উপনদী সমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উপনদীর নাম- বিতস্তা (Jhelum) দৈর্ঘ্য (কিমি)- 724  উৎস: কাশ্মীর উপত্যকার ভেরিনাগের   কাছে। মোহনা- শতদ্রুর  সাথে মিলিত হয়েছে। বিশেষ তথ্য:* এর উপনদী গুলি হল লিডার, সিন্ধ, পোহরু। * কাশ্মীর উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্র...

ভারতের নদী (Indian River)

  ★ভারতের নদী সংক্রান্ত সাধারণ তথ্য★ ★ভারত নদীমাতৃক দেশ । ভারতের ওপর দিয়ে অসংখ্য নদনদী প্রবাহিত হয়ে আমাদের দেশকে সুজলা -সুফলা-শস্য-শ্যামলা করে তুলেছে। ★ভারতের দীর্ঘতম ও জাতীয় নদী গঙ্গা। ★ভারতের দীর্ঘতম উপনদী-যমুনা। ★ভারতের অন্তর্বাহিনী নদী - লুনি। ★ভারতে সর্বাধিক পরিমাণ জল বহনকারী নদী- ব্রহ্মপুত্র।   ★উত্তর ভারতের নদনদী★ উত্তর ভারতের প্রধান নদীগুলি হল  ১) গঙ্গা,  ২) সিন্ধু  ৩) ব্রহ্মপুত্র ★গঙ্গা (Ganga) গঙ্গা ভারতের প্রধান নদী। উৎস (Source): উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুন হিমালয়ের অন্তর্গত গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ গুহা থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি। প্রবাহপথ (River course) ক) উচ্চগতি (Upper course): গঙ্গার উৎস থেকে হরিদ্বার পর্যন্ত অংশে উচ্চগতি দেখা যায়। উৎসের কাছে এই নদী ভাগীরথী নামে পরিচিত। এরপর ভাগীরথী রুদ্রপ্রয়াগের নিকট মন্দাকিনী ও দেবপ্রয়াগের নিকট অলকানন্দা নদীর সাথে মিলিত হয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়েছে। খ) মধ্যগতি(Middle Course): হরিদ্বার থেকে রাজমহল পাহাড় পর্যন্ত অংশ গঙ্গার মধ্যগতি। এই অংশে যমুনা, শোন, গোমতী, ঘর্ঘরা, রামগঙ্গা, ক...

মাধ্যমিকের ভারতের ভূ প্রকৃতির ছোটো প্রশ্ন

মাধ্যমিকের সেরা প্রস্তুতি নিতে আমাদের এই ওয়েবসাইট আপনাদের অনেক সহযোগিতা করবে, ভূগোলের ১০০ তে ১০০ পেতে হলে আমাদের এই ওয়েবসাইট নিয়মিত আপনারা দেখুন এবং পড়তে থাকুন। কিছুদিন বাদে আমরা প্রশ্নের প্যাটার্ন নিয়ে আলোচনা করব এবং একই সাথে আলোচনা করব প্রশ্নের দাগ নম্বর নিয়ে ।  সমস্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সাজেশন আপনারা এখান থেকে পেতে পারবেন তবে সেই সাজেশন পরীক্ষার মাত্র ১৫ দিন আগে আপলোড করা হবে কারণ সেটা সকলের জন্য নয় যাদের প্রয়োজন তাদের জন্য আমরা এই ধরনের নিবেদন করতে চাই। 1) ∆ *আকসাই চীন:-*  উত্তর:- ‘আকসাই চীন’ একটি পর্বত বেষ্টিত মালভূমি। এটি জম্মু ও কাশ্মীরের উত্তর-পূর্ব অর্থাৎ কারাকোরাম পর্বতের পূর্ব দিকে অবস্থিত ‌। এই মালভূমির গড় উচ্চতা প্রায় 4,500 মিটার । তবে কোন এলাকায় এটি 6,000 মিটারের বেশী উচুঁ। এখানে কয়েকটি নোনা জলের হ্রদ আছে। এদের মধ্যে ‘প্যাংগং’ ও ‘লিংজি টাঙ’ হ্রদ উল্লেখযোগ্য। আকসাই চীন এর উত্তরে আছে বিখ্যাত ‘সোডা মালভূমি'। 2)   ∆ *পূর্বাচল*:- উত্তর:- ভারতের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অরুণাচল প্রদেশ, মনিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, প্রভৃতি রাজ্যে বেশ কয়েকটি উত্তর-প...