সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Describe the growth of world Population, পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি প্রকৃতি আলােচনা কর

পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি প্রকৃতি আলােচনা কর   [Describe the growth of world Population]  পৃথিবী মানুষের বাসভূমি। খ্রীষ্ট্রের জন্মের দশ হাজার বছর পূর্বে পৃথিবীতে মাত্র ৫০ লক্ষ লোক বাস করত ১ খ্রিস্টাব্দে ২৫ কোটিতে পৌঁছায় ১৬৫০ সালে ৫৪ কোটি , ১৮৫০ সালে ১১৭ কোটি , ১৯৭৪ সালে ৩৯০ কোটি বর্তমানে ৬১০ কোটিরও বেশি।   পৃথিবীতে প্রতি মিনিটে ২২০ টিরও বেশি শিশু জন্ম নেয়। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩ লক্ষ ১৭ হাজার , আর বছরে জনবৃদ্ধি ঘটে প্রায় ১২ কোটি । জনসংখ্যার এই বিপুল বৃদ্ধিকে জন বিস্ফোরণ’ [Population Explosion] বলা যেতে পারে। বিশ্বের জনসংখ্যা গতি-প্রকৃতি নিম্নলিখিত ভাবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে— আনুমানিক ১০ লক্ষ খ্রিস্টপূর্ব | নিম্ন প্রস্তর যুগের মানুষদের প্রধান জীবিকা ছিল শিকার ও খাদ্যসংগ্রহ। আনুমানিক ৩লক্ষ খ্রিস্টপূর্ব মােট জনসংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ২০ হাজার প্রতি বর্গকিমিতে ০.০০৪ জন। বাসস্থান ছিল প্রধানত আফ্রিকায়। আদি প্রস্তরযুগের মানুষ শিকার ও সংগ্রহকারী রূপে পরিচিত। এদের বাসস্থান ছিল আফ্রিকা ও ইউরেশিয়া। ঐ সময় জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল প্রতি বর্গ কিমিতে ০.০১২ জন । মােট জনসংখ্যা ১ মিল...

মাধ্যমিক মানচিত্র প্রস্তুতি (India map pointing) । Madhyamik Geography map pointing । Madhyamik map pointing class 10

  ভারতের মানচিত্র অবস্থান ও প্রশাসনিক বিভাগ ১) ভারতের উত্তরতম বিন্দু (ইন্দিরা কল) ২) ভারতের দক্ষিণতম বিন্দু (ইন্দিরা পয়েন্ট) ৩) ভারতের পূর্বতম বিন্দু (অরুণাচল প্রদেশের কিবিথু) ৪) ভারতের পশ্চিমতম বিন্দু(গহর মতি বা গোহরমোটর) ৫) ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দু (কন্যাকুমারী) ৬) ভারতের নবীনতম রাজ্য (তেলেঙ্গানা) ৭) ভারতের ক্ষুদ্রতম রাজ্য (গোয়া) ৮) ভারতের বৃহত্তম রাজ্য (রাজস্থান) ৯) ভারতের নবীনতম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ) ১০) দৈত্য রাজধানী অঞ্চল (চন্ডিগড়-পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজধানী) ১১) জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (নিউ দিল্লি) ১২) বিবিধ: 10° / 8°  / 9°ডিগ্রী চ্যানেল। পক প্রণালী পক উপসাগর , খাম্বাত উপসাগর। প্রস্তুত করেছেন : মিজানুর রহমান খাঁন । শ্রেণী:- দশম । ঠিকানা:- বেঁউদিয়া , ভগবানপুর ,পূর্বমেদিনীপুর । ভারতের ভূপ্রকৃতি: ১) ভারতের উচ্চতম শৃঙ্গ ও পৃথিবীর দ্বিতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ (কেটু বা গডউইন অস্টিন) ২) ভারতের প্রাচীন ভঙ্গিল পর্বত (আরাবল্লী) ৩) ভারতের স্তুপ পর্বত (সাতপুরা/বিন্ধ পর্বত) ৪) কাশ্মীর উপত্যকা (ভূস্বর্গ বা প্রাচ্যের নন্দ...

মাধ্যমিক মানচিত্র প্রস্তুতির সেরা কৌশল

দশম শ্রেণীর ভূগোলের মানচিত্র    মানচিত্রে ১০ এ ১০ পেতে হলে নিচের পয়েন্ট গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। ১) মানচিত্রের থাকা প্রশ্নগুলি প্রথমে সুন্দরভাবে পড়ে বুঝে নেওয়ার দরকার আছে। ২) দৈনিক মানচিত্র অনুশীলন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৩) মানচিত্রে পেন ব্যবহার করা যাবে না। ৪) মানচিত্রে উপযুক্ত পেন্সিল ব্যবহার করতে হবে। ৫) মানচিত্র অনুশীলন করার সময় দাগ নম্বর গুলি অনুশীলন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬) মানচিত্র অনুশীলনে কৃষিজ উৎপাদনে প্রতীক চিহ্ন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। ৭) মানচিত্রে প্রতীক চিহ্ন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। ৮) মানচিত্রে নদী অঙ্কন করার সময় অবশ্যই প্রবাহ পথ দিতে হবে। ৯) শহর-বন্দর এগুলি একটি নির্দিষ্ট বৃত্তাকার করে প্রকাশ করতে হবে। ১০) মানচিত্র গুলি অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার রূপ দিতে হবে। বি:দ্র: এই দশটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রেখে মানচিত্র অঙ্কন করলে আমি আশা রাখছি ১০-১০ পাওয়া যাবে।

Chotanagpur mineral and industrial complex: (ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল):

Chotanagpur mineral and industrial complex:   (ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল): 🚜 অবস্থান ও বিস্তৃতি ভারতের খনিজ ভান্ডার ও শিল্পসমৃদ্ধ ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল টি সমগ্র ঝাড়খন্ড রাজ্য (রাচি, হাজারীবাগ, সিংভূম , ধানবাদ এবং সাঁওতাল পরগনা জেলা) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া জেলার বিস্তারিত। 🚜 অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ: উত্তর অক্ষাংশ ২২ ডিগ্রি থেকে ২৫°৩০`[উত্তর অক্ষাংশ] দ্রাঘিমাংশ ৮৩°৪৭`-৮৭°৫০`[পূর্ব দ্রাঘিমাংশ] 🏗️ ক্ষেত্রফল: প্রায় ৮৬২৩৯ বর্গ কিলোমিটার। 🏭 স্থানের সাপেক্ষে অবস্থান: ছোটনাগপুর অঞ্চলের, উত্তরে মধ্য গঙ্গা সমভূমি, দক্ষিণে উড়িষ্যা রাজ্য ,পূর্বে নিম্ন গাঙ্গেয় সমভূমি ও পশ্চিম মধ্য প্রদেশ রাজ্য ও বাঘেলখন্ড মালভূমি অবস্থিত। 🏭 ভূপ্রকৃতি: রাচি মালভূমি, হাজারীবাগ মালভূমি, কোডারমা মালভূমি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছোটনাগপুর মালভূমির গড় উচ্চতা ৪০০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত। ১)পূর্বদিকে ছোটনাগপুর মালভূমি ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় সমভূমি তে পরিণত হয়েছে এবং ধাপে ধাপে রাঢ় সমভূমি তে নেমে এসেছে। ২) পূর্বের এই সমভূমিতে অনেক ছোট ছোট টিলা দেখা যায়। ৩) ছোট...

city of Mumbai

🪵মুম্বাই বা বোম্বই বা বম্বে মুম্বাই ভারতের বৃহত্তম নগর,  সর্বশ্রষ্ঠ সামুদ্রিক বন্দর , সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। ভারতের সর্ব প্রধান শিল্পাঞ্চল এবং বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। মুম্বাই শহরকে ভারতের প্রবেশদ্বার বলা হয়। ভারতের মূলধনের রাজধানী এবং ভারতের হলিউড নামে মুম্বাই শহর পরিচিত। 🪵মুম্বাই শহর নামকরনের কারন:   1996 সাল থেকে বোম্বাই মহানগরী পাল্টে মুম্বাই শহর গড়ে ওঠে, এই অঞ্চলের মৎস্যজীবি সম্প্রদায়ের উপাস্য দেবী "মুম্বা"থেকে মুম্বাই নামকরণ হয়ে থাকে। 🪵অবস্থান ও আয়তন: ভারতের পশ্চিম উপকূলে আরব সাগরের তীরে মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাই, লাভা গঠিত ছোট ছোট সাতটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত এবং সেতু দিয়ে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। এর মোট আয়তন 481 বর্গ কিলোমিটার। 🪵যাতাযাত ও পরিবহন  পশ্চিম রেলওয়ের ও তার সাথে যুক্ত অন্যান্য রেলপথের মাধ্যমে এবং সড়কপথে মুম্বাই নগর ভারতের অন্যান্য শহর এবং শিল্প কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত। মধ্য ও পশ্চিম রেলের সদর দপ্তর মুম্বাই তে অবস্থিত এবং ভারতে নির্মিত প্রথম রেলপথ এই শহরে 1853 সালে নির্মিত হয়। মুম্বাইয়ের সান্তাক্রুজ ...

বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান

বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (established in 1972) বিশেষ ধরনের (বন, পাহাড়, হ্রদ, মরুভূমি, স্মৃতিস্তম্ভ, দালান, প্রাসাদ বা শহর) একটি স্থান যা ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রণীত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় লিপিবদ্ধ হয়েছে। লিপিবদ্ধ করা প্রথম স্থানগুলি: অজন্তা গুহা, ইলোরা গুহা, আগ্রা দুর্গ এবং তাজমহল, যার মধ্যে সবগুলিই 1983 সালের বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির অধিবেশনে খোদাই করা হয়েছিল। সর্বশেষ সাইটটি খোদাই করা হবে 2021 সালে গুজরাটের ধোলাভিরা। বর্তমানে ভারতে 40 টি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট রয়েছে। এর মধ্যে 32 টি সাংস্কৃতিক, 7 টি প্রাকৃতিক এবং 1 টি মিশ্রিত (সাংস্কৃতিক এবং প্রাকৃতিক উভয় মানদণ্ড পূরণ), যেমনটি সংস্থার নির্বাচনের মানদণ্ড দ্বারা নির্ধারিত হয়। ভারতে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম সাইট রয়েছে। বিষ্ণুপুরে মন্দির 1) পশ্চিমবঙ্গ (বিষ্ণুপুর) ১৬০০-১৫8৫ AD নির্মিত পোড়ামাটির মন্দির এবং বালুচরী শাড়ির জন্য পশ্চিমবঙ্গ বিখ্যাত। 2) ইলোরা গুহা মহারাষ্ট্র 600 থেকে 1000 খ্রিস্টাব্দ।ইলোরা গুহা, যা ইলোরা কমপ্লেক্স নামেও পরিচিত, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং জৈন ধর্মের ধর্মীয় শ...

west bengal State Flower: Night Flowering JasmineNight Flowering Jasmine

State Flower : Night Flowering Jasmine Night Flowering Jasmine (Nyctanthes arbor-tristis) is the State flower of West Bengal also known as Shephali.  The flowers of Shephali are born with the tendency of growing in clusters of two to seven as well as opening at dusk and closing at dawn.  The flower of Shephali has its usage in commercial purpose as a natural resource of a yellow dye. Besides the dye, the leaves of Shephali have been an excellent agent for homeopathic and ayurvedic medicines. The tree is sometimes called the "tree of sorrow", because the flowers lose their brightness during daytime; the scientific name arbor-tristis also means "sad tree".  The flowers can be used as a source of yellow dye for clothing. The flower is called Gangaseuli and some where Jharaa sephali in Odisha, India.

জনসংখ্যা অনুযায়ী দেশের তালিকা

🏵️জনসংখ্যা অনুযায়ী দেশের তালিকা🏵️ আমাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো আমরা সমস্ত ধরনের পরীক্ষার নোটপত্র আপনাদের পেরন করব, কেবল আপনাকে আমাদের সহযোগিতা করতে হবে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের এই ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে হবে তার জন্য আপনি সমস্ত ধরনের পিডিএফ আপনাকে আমরা পার্সোনাল হোয়াটসঅ্যাপে আপনাকে ট্যান্সফার করে দেবো। ✅আমরা যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলির সাহায্য করি: WBCS/SSC/PSC Rank - Country/দেশ Population/জনসংখ্যা  ----------------------------------------------- 1 China 1,367,360,000 জন  2 India 1,261,130,000জন  3 United States 318,929,000 জন  4 Indonesia 252,164,800জন  5 Brazil 203,308,000জন  6 Pakistan 196,174,380 জন  7 Nigeria 178,517,000 জন  8 Bangladesh 157,159,000 জন  9 Russia 146,149,200 জন 10 Japan 127,040,000 জন 11 Mexico 119,713,203 জন 12 Philippines 100,410,400 জন  13 Vietnam 89,708,900 জন 14 Ethiopia 87,952,991 জন 15 Egypt 87,337,400 জন 16 Germany 80,781,000 জন 17 Iran 77,824,100 জন 18 Tur...

State west bengal Tree: "Chatim" or "Devil Chatian" wood

🌲State Tree:  "Chatim"  or "Devil Chatian"    Devil is the State tree of West Bengal. It is an evergreen tree found in West Bengal that attains an average height of up to 100 feet. With its Small flowers greenish yellow in colour, the tree comprises of large leaves organized in clusters of seven. A large part of the tree is a great contributor in building effective medicines. 🌲NOTE: Indian devil tree Quick Facts Name :  Indian devil tree Scientific Name :  Alstonia scholaris Origin Indian subcontinent, Malay Peninsula, and Australasia Colors Green when young turning to brown as they matures Shapes Pendulous, two-lobed, dehiscent follicle, brown or green, dry or woody, spindle-shaped, 15-32 cm long, 4-6 mm in diameter Taste Bitter, astringent Health benefits Cures recurrent and intermittent fever, Obesity & Cholesterol, Jaundice, Dandruff and Head Lice, Abscess. 🌲  popular common names : This  plants are blackboard tree, devil tree, d...

State west bengal Bird: White-throated Kingfisher

State Bird:  White-throated Kingfisher The White Throated Kingfisher ( Halcyon smyrnensis )is the State bird of West Bengal. It is also known as the white breasted kingfisher or Smyrna kingfisher. It can be found well away from water where it feeds on a wide range of prey that includes small reptiles, amphibians, crabs,small rodents and even birds. In West Bengal it is also called as "Sandabuk Machhranga" by the locals. Seen in all countries: White-throated kingfishers range from Turkey in the west to the Philippines in the east, including Afghanistan, Bangladesh, Bhutan, Cambodia, China, Egypt, India, Indonesia, Iran, Iraq, Israel, Jordan, Kuwait, Laos, Lebanon, Malaysia, Myanmar, Nepal, Pakistan, Saudi Arabia, Singapore, Sri Lanka, Syria, Taiwan, Thailand, and Vietnam. Food Habits: White-throated kingfishers are carnivorous generalists that eat many organisms, including locusts, crickets, beetles, mantises, ants, termites, dragonflies, gr...

west Bengal State Animal: Fishing Cat

State Animal: Fishing Cat Fishing Cat (Prionailurus viverrinus) is the State animal of WestBengal. It is found in most parts of India and can also be seen here. The native people of West Bengalcall it "maachbagha" or "baghrol".  It is a medium-sized wild cat of South and South-East Asia. In 2008, the IUCN classified the fishing cat as Endangered Since they are concentrated primarily in wetland habitats, which are increasingly being settled, degraded and converted. The adult animal stands about 40 cm (16 inches) at the shoulder, weighs 8–11 kg (18–24 pounds), and is from 60 to 85 cm long, excluding the black-ringed tail, which accounts for an additional 25–30 cm. The fishing cat lives near water and in jungles, reed beds, and marshes. It is reported to fish by scooping its prey out of the water. The fishing cat is nocturnal and apart from fish also preys on frogs, crustaceans, snakes, birds, and scavenges on carcasses of larger ani...