মাধ্যমিকের সেরা প্রস্তুতি নিতে. আমাদের ওয়েবসাইট আপনাদের অনেককেই সহযোগিতা করবে, নিয়মিত ছোটো প্রশ্নের প্রস্তুতি আমরা আপনাদের সামনে নিবেদন করে থাকি।
আজ একটি সম্ভাব্য প্রশ্নের তালিকা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি এই প্রশ্ন থেকেই আপনি নিজেকে পরীক্ষা করে নিন আপনি কতটা এগিয়ে কতটা পিছিয়ে।
M.C.Q প্রস্তুতি এটি টাচ করুন তাহলে আপনার পেজ খুলে যাবে।
M.C.Q প্রস্তুতি এটি টাচ করুন তাহলে আপনার পেজ খুলে যাবে।
∆ হিমযুগ বা বরফ যুগ:
উত্তর:- সংজ্ঞা :-হিম যুগ বা বরফ যুগ হলো বিশেষ একটি ভূতাত্ত্বিক সময়। সৃষ্টির পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত পৃথিবীতে মাঝে মাঝে এমন একটি এমন একটি অবস্থা আসে যখন পৃথিবীর অর্ধেক এর বেশি অংশ বরফে ঢাকা পড়ে যায়। এই অবস্থান হিমযুগ বলে। দুটি হিমযুগের মধ্যবর্তী সময়কে অন্তবর্তী হিমযুগ বলে।
বিজ্ঞানীদের ধারণা পৃথিবীতে আসতে সর্বশেষ হিম যুগের সূচনা হয়েছিল প্লাইস্টোসিন অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় 18 লক্ষ বছর পূর্বে এবং শেষ হয়েছিল হলোসিন উপযুগে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় 11 হাজার বছর পূর্বে।
∆ সৃষ্টির কারণ:- বিজ্ঞানীদের মতে হিমযুগ আসার কারণ গুলি হল—
১) পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী দূরত্ব বৃদ্ধি।
২) সৌর বিকিরণের পরিমাণ হ্রাস।
৩) বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণার আচ্ছাদন।
৪) পৃথিবীর কক্ষতল এর সাথে মেরু রেখার কৌণিক পরিবর্তন।
৫) বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ হাস।
২) ∆ *বরফ চাদর*:
*উত্তর*:-অবস্থানের ভিত্তিতে পৃথিবীর যাবতীয় হিমবাহ কে তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। যথা—
১) পার্বত্য উপত্যকা হিমবাহ,
২) মহাদেশীয় হিমবাহ এবং ,
৩) পর্বত পাদদেশীয় হিমবাহ। এই তিন প্রকার হিমবাহের মধ্যে মহাদেশীয় হিমবাহের আরেক নাম বরফ চাদর।
পৃথিবীর উভয় মেরু অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অবস্থান করেছে পুরু বরফের স্তুপ। মেরু অঞ্চলের এই সুবিশাল বরফের স্তুপ বা মহাদেশীয় হিমবাহ ভূমি ভাগের ওপর চাদরের মতো অবস্থান করে আছে। তাই মহাদেশীয় হিমবাহ কে বরফ চাদর বলে।
উত্তর মেরু প্রদেশের অন্তর্গত গ্রীনল্যান্ড এবং দক্ষিণ মেরু প্রদেশের অন্তর্গত আন্টার্টিকা মহাদেশের স্তর সর্বাধিক পুরু। তাই এই দুই অঞ্চলে বরফ চাদরের আয়তন ও পরিমাণ উভয় বেশি।
৩) ∆ *হিমবাহ*
*উত্তর : সংজ্ঞা* : হিমরেখার ওপর এ যেখানে নিহত তুষারপাত হয় সেই তুষার দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত হয়ে বরফের স্তুপে পরিণত হয় । তারপর এই জমাট-বাঁধা বরফের স্তুপ সঞ্চিত বরফের চাপে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে অত্যন্ত ধীরে ধীরে ভূমির ঢাল বেয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। এইরূপ ধীরগতিসম্পন্ন চলমান বরফের স্তুপকে হিমবাহ বলে।
*গতি:* হিমবাহের গতি নদীর মতো দ্রুত নয়। এরা এত ধীর গতিসম্পন্ন যে খালি চোখে এদের গতিবেগ ধরা পড়ে না। হিমবাহ সারা দিনে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার অগ্রসর হয়।
*শ্রেণীবিভাগ* : অবস্থান অনুসারে হিমবাহকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।যথা—
১) পার্বত্য উপত্যকা হিমবাহ: যেমন —আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা প্রদেশের হুবার্ড।
২) মহাদেশীয় হিমবাহ: যেমন-আন্টার্কটিকার ল্যাম্বার্ট হিমবাহ।
৩) পর্বতের পাদদেশীয় হিমবাহ: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মালাসপিনা।
গুরুত্ব:
১) ভূপৃষ্ঠে নানা ধরনের ভাস্কর্যের সৃষ্টি হয়েছে।
২) বিভিন্ন হিমযুগ হিমবাহের কাজকর্মের ফলে ভূত্বকের এবং ভূমিরূপের বহু পরিবর্তন ঘটেছে।
৩) হিমবাহ পানীয় জল সরবরাহ করে।
৪) ∆ *হিমরেখা* :
*উত্তর:
সংজ্ঞা* : পৃথিবীপৃষ্ঠের যে কাল্পনিক সীমারেখার ঊর্ধ্বে সারাবছর তুষার জমে থাকে অথবা যার নিচে তুষার গলে যায়, সেই সীমারেখাকেই হিমরেখা বলে।
*বৈশিষ্ট্য:*
১) সীমারেখা সর্বত্র এবং সর্বকালে স্থায়ী হয় না।
২) অক্ষাংশ অনুসারে হিমরেখার উচ্চতার পরিবর্তন হয়। যেমন— নিরক্ষীয় অঞ্চলে 5000 মিটারের ঊর্ধ্বে, ক্রান্তীয় অঞ্চলে 3500 মিটারের উর্দ্ধে, নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে 2500 মিটারের উর্দ্ধে এবং মেরু অঞ্চলে সমুদ্র সমতলে হিমরেখার অবস্থান লক্ষ্য করা যায়।
৫) ∆ *হিমশৈল*:
*উত্তর*:-
∆ *সংজ্ঞা*:- সমুদ্রে ভাসমান বিশাল আকৃতির বরফের স্তুপ কে হিমশৈল বলে।
∆ *সৃষ্টির কারণ* :-মহাদেশীয় হিমবাহ যখন সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করে তখন কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর অংশবিশেষ বিচ্ছিন্ন হয়ে হিমশৈল নামে সমুদ্র ভাসতে থাকে।
∆ *উৎস* :-হিমশৈলের প্রধান উৎস হল গ্রীনল্যান্ড ও আন্টার্টিকা।
∆ *বৈশিষ্ট্য* :-হিমশৈলের জলের চেয়ে হালকা। এর 1/9 অংশমাত্র সমুদ্রের জলের উপর ভাসতে থাকে অবশিষ্ট অংশ জলের নিচে অবস্থান করে।
∆ *প্রভাব* :-১) হিমোসিল উষ্ণ স্রোতের প্রভাবে গলে যায়। ফলে হিমশৈল বাহিত নুড়ি, কাকর ,বালি , প্রভৃতি সমুদ্রের তলদেশে জমে মগ্নচড়ার সৃষ্টি করে। যেমন— আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত অবস্থিত “গ্র্যান্ড ব্যাংক”।
২) হিমশৈল সমুদ্রপথে পরিবহন ব্যবস্থায় বিশেষ বাধা সৃষ্টি করে। যেমন— সুবিখ্যাত টাইটানিক জাহাজ প্রথম যাত্রাতেই একটি বিশাল আকার হিমশৈলের আঘাতে ডুবে গিয়েছিল।
৬) ∆ করি বা সার্ক:
*উত্তর*:
*সংজ্ঞা*:- উপত্যকা হিমবাহ এর ক্ষয় কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ হল করি বা সার্ক।
করি বা সার্ক উচ্চ পর্বত গাত্র হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত হাতলযুক্ত চেয়ার অথবা চামচের মতো আকৃতি ভূমিরূপকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং স্কটল্যান্ড করি এবং ফ্রান্সের সার্ক বলা হয়। এর তিনটি অংশে থাকে। যথা—উপরে খারাপ মস্তক প্রাচীর মাঝে খাদ এবং নিচের দিকে চৌকাট বা গোবরাট। করির মধ্যভাগের গর্তে অনেক সময় জল জমে হ্রদ সৃষ্টি হয় একে করি হ্রদ বলে।
৭) ∆ *হিমদ্রোণী*:
*উত্তর* :- হিমবাহের ক্ষয় কার্যের ফলে গঠিত একটি ভূমিরূপ হল হিমদ্রোণী।
∆ *সৃষ্টি* :-পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ যে উপত্যাকা মধ্য দিয়ে বয়ে যায়। সেই উপত্যকাটি ক্রমাগত ক্ষয়ের ফলে ইংরেজি ‘U’অক্ষরের মতো হয়। একে হিমদ্রোণী বলে। হিমবাহ বিজ্ঞানীদের মতে বেশিরভাগ হিমদ্রোণী নদী উপত্যকায় পরিবর্তিত রূপ।
∆ *বৈশিষ্ট্য* :-
১) হিমদ্রোণী তলদেশে অবঘর্ষ এর ফলে বেশ চওড়া ও মসৃণ হয় এবং উভয় পাশের দেওয়াল খাড়া ঢাল যুক্ত হয়।
২) হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে হিমদ্রোণী গুলিতে বহু ছোট ছোট পুঁতির মালার মতো আকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়। বিজ্ঞানী কটন এর উপর নাম দেন প্যাটার নস্টার হ্রদ।
৩) একটি হিমদ্রোণী ঊর্ধ্ব অংশে বহু হিমোধাপ বা হিমোসোপান গড়ে ওঠে।
৮) ∆ *পিরামিড চূড়া*:
*উত্তর*:-হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে গঠিত একটি ভূমিরূপ হল পিরামিড চূড়া। কোন পর্বত শৃঙ্গের চারিদিকে 3 ও 4 টি করি পাশাপাশি অবস্থান করলে। এদের মধ্যবর্তী খাড়া চূড়াটি আকৃতি পিরামিডের মতো দেখায় বলে একে পিরামিড চূড়া বলে। সুইজারল্যান্ডে এরূপ পর্বতের চূড়া কে হর্ণ বলে।
উদাহরণ:-আল্পস পর্বতের ম্যাটারহর্ন এরূপ একটি পিরামিড চূড়া।
৯) ∆ *এরিটি*:
*উত্তর*:- হিমবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট একটি বিশেষ ভূমিরূপ হল এরিটি।
পার্বত্য উপত্যকা দিয়ে যখন হিমবাহ নিচে নামে তখন হিমবাহের চাপে ও গঠনের পরবর্তী নানা ধরনের গর্তের সৃষ্টি হয়। এগুলি দেখতে ঠিক হাতলযুক্ত ডেকচেয়ার এর মতো। এগুলি করি নামে পরিচিত। অনেক সময় পর্বতের ঢালে এরূপ পাশাপাশি দুটি করি গঠিত হয়। দুটি করির মধ্যবর্তী অংশটি উভয় দিক থেকে ছুরির ফলার মতো সংকীর্ন খাড়া প্রাচীরের মতো হয়। এইভাবে পাশাপাশি দুটি করি মাঝখানে যে খাড়া শৈলশিরা বিরাজ করে তাকে এরিটি বলে।
১০) ∆ *রসে মতানে*:
*উত্তর*:-হিমবাহের ক্ষয় কার্যের ফলে সৃষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিরূপ হল রসে মতানে।
∆ *রসে মতানে*:-উপত্যকা হিমবাহের গতিপথে কোন কঠিন শিলাখণ্ড উঁচু ঢিবির আকারে অবস্থান করলে হিমবাহ যে দিক থেকে প্রবাহিত হয় ডিবির সেইদিক অবঘর্ষ প্রক্রিয়া মসৃণ ও চকচকে হয় এবং এর বিপরীত দিক অসমতল অবস্থা বিরাজ করে। এধরনের ঢিবিকে রসেমতানে বলে।
উদাহরণ:-আল্পস পর্বতের অনেক রসেমতানে দেখা যায়।
১১) ∆ *ঝুলন্ত উপত্যকা*
*উত্তর*:-হিমবাহের ক্ষয় কার্যের ফলে গঠিত একটি প্রধান ভূমিরূপ হল ঝুলন্ত উপত্যকা।
∆ *ঝুলন্ত উপত্যকা* :-অনেক সময় একটি প্রধান হিমবাহের সাথে অনেক ছোট ছোট হিমবাহ এসে মিলিত হয়। প্রধান হিমবাহের ক্ষয় কাজ বেশি হয় বলে উপ হিমবাহের তুলনায় এর উপত্যকায় বেশি গভীর হয়। এরূপ অবস্থায় হিমবাহ সরে গেলে উপ-হিমবাহর গুলির উপত্যকা হিমবাহের উপত্যকার অনেক উঁচুতে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে বলে মনে হয়। এরূপ উপ হিমবাহের উপত্যকাকে ঝুলন্ত উপত্যকা বলে। এরূপ উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হলে ঝুলন্ত উপত্যকার প্রান্তে প্রায় জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়।
উদাহরণ:-হিমালয়ের বদ্রীনাথ এর নিকট ঋষি গঙ্গা উপত্যকা।
১২) ∆ *ফিয়র্ড*:-
*উত্তর*:
*সংজ্ঞা*:-পার্বত্য সমুদ্র কোলে অবস্থিত জলমগ্ন উপত্যকা ফিয়র্ড নামে পরিচিত।
∆ *সৃষ্টি*:-সাধারণ উচ্চ অক্ষাংশে হিমবাহ অধ্যুষিত সমুদ্র উপকূলে হিমবাহের কাজে ফলে সমুদ্র উপকূলে অনেক সময় সমুদ্রের চেয়েও গভীর খাতের সৃষ্টি হয়। হিমবাহ সৃষ্ট এই ধরনের খাত জলমগ্ন হলে তাকে ফিয়র্ড বলে।
*বৈশিষ্ট্য*:-ফিয়র্ডের মধ্যভাগের তুলনায় প্রান্তদেশে জলের গভীরতা অনেক কম হয়।
উদাহরণ:-নরওয়ে, সুইডেন, প্রভৃতি উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ গুলি উপকূল ভাগে এই ধরনের বহু ফিয়র্ড দেখা যায়। এছাড়া কানাডা, দক্ষিণ চিল ,নিউজিল্যান্ড প্রভৃতি দেশে ফিয়র্ড দেখা যায়। তবে নরওয়ে উপকূলে ফিয়র্ড পৃথিবী বিখ্যাত। পৃথিবীর গভীরতম ফিয়র্ড হলো নরওয়ের সজনেফিয়র্ড।
১৩) ∆ *গ্রাবরেখা*:
*উত্তর*:-হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে যেসব ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় তার মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিরূপ হল গ্রাবরেখা।
∆ *সংজ্ঞা*:-উচ্চ পার্বত্য এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন ও ক্ষয়প্রাপ্ত নানা আয়োজনে তীক্ষ্ণ শিলাখণ্ড হিমবাহের সাথে স্তূপাকারে জমা হয়ে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। এই শিলা স্তুপ কে গ্রাবরেখা বলে। ফরাসি ভাষায় গ্রাবরেখাকে মোরেন বলে।
∆ *শ্রেণীবিভাগ*:-হিমবাহের সাথে অবস্থান অনুসারে গ্রাবরেখা গুলিকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয় যেমন—
১) *পার্শ্ব গ্রাবরেখা*:-হিমবাহের দুপাশে যে গ্রাবরেখা অবস্থান করে তাকে পার্শ্ব গ্রাবরেখা বলে।
২) *ভূমি গ্রাবরেখা*:-হিমবাহের নিচে যে গ্রাবরেখা অবস্থান করে তাকে ভূমি গ্রাবরেখা বলে।
৩) *মধ্যগ্রাব রেখা*:-দুটি হিমবাহের পাশাপাশি মিলনের ফলে যে গ্রাবরেখা সঞ্চিত হয় তাকে মধ্যগ্রাব রেখা বলে।
৪) *প্রান্ত গ্রাবরেখা* :-হিমবাহ যেখানে এসে শেষ হয় অর্থাৎ গলে যায় সেখানে যে গ্রাবরেখা জমা হয় তাকে প্রান্ত গ্রাবরেখা বলে।
∆ *কেম*:-
*উত্তর*:-হিমবাহের ও জলের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিরূপ গুলি হল কেম।
∆ *কেম*:-হিমবাহ ও অধ্যুষিত পর্বতের পাদদেশে কোন হ্রদ থাকলে ওই হ্রদে কাঁকর, বালি,কাদা প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণাকার ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। এরূপ বদ্বীপ এর মত দেখতে ভূমিরূপ কেই কেম বলে ।
উদাহরণ:-ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ নরফকের গ্লাভেন উপত্যকায় কেম দেখা যায়।
∆ *আগামুখ*:
*উত্তর*:-হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত একটি বিশেষ ভূমিরূপ হল আগামুখ।
∆ *আগামুখ*:-আগামুখ কথার অর্থ হল আগন্তুক বা ভিনদেশী।
∆ *সৃষ্টি*:-হিমবহের ধাক্কায় বা আকর্ষনে বিশালাকৃতির শিলাখণ্ড সমূহ গড়াতে গড়াতে নিচের দিকে নামতে থাকে। অনেক সময় ফাটল যুক্ত শিলাখণ্ড বরফের সাথে বাহিত হয়। ফলে এরা নিম্ন অঞ্চলে সঞ্চিত হলে আগামুখ নামে পরিচিত হয়।
∆ *বৈশিষ্ট্য*:-স্থানীয় শিলার মধ্যে এই ধরনের সঞ্চিত শিলাখণ্ডের কোন মিল দেখা যায় না।
উদাহরণ:-কাশ্মীরের পহেলগাঁও অঞ্চলে এই ধরনে আগামুখ দেখা যায়।
∆ *ড্রামলিন*:-
*উত্তর*:-পর্বতের পাদদেশে অঞ্চলে হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় তার মধ্যে ড্রামলিন উল্লেখযোগ্য।
∆ *সৃষ্টি*:-অনেক সময় হিমবাহ অধ্যুষিত নীচু অঞ্চলে অস্তরীভূত ছোট ছোট শিলাখণ্ড সঞ্চিত হয়ে উল্টানো আকৃতিবিশিষ্ট ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। একে ড্রামলিন বলে।
∆ *বৈশিষ্ট্য*:-
১) হিমবাহ বিজ্ঞানী ফ্রিন্টের 1957 মতে একটি আদর্শ ড্রামলিন 1 থেকে 2 কিঃমিঃ লম্বা 400 থেকে 600 মিটার চওড়া এবং 15 থেকে 30 মিটার উঁচু হয়।
২) ড্রামলিন অধ্যুষিত অঞ্চলে সাধারণত ঝুড়িভর্তি ডিমের নেয় ভূপ্রকৃতি বলে।
৩) বহু ড্রামলিন একত্রে অবস্থান করলে তাকে মধ্যবর্তী অঞ্চলে জল জমে জলাভূমি গড়ে ওঠে।
উদাহরণ:-স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড প্রভৃতি অঞ্চলে প্রচুর ড্রামলিন দেখা যায়।
∆ *এস্কার*:-
*উত্তর*:-কি মোবাইল সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিরূপ হল এস্কার।
∆ *সৃষ্টি*:-পর্বতের পাদদেশে হিমবাহ বাহিত নানারকম শিলাখণ্ড, বালি,কাদা প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে অনেক সময় দীর্ঘ আঁকাবাঁকা সংকীর্ণ ভূমিরূপ সৃষ্টি করে। এরূপ শৈলশিরাকে এস্কার কে বলে।
উদাহরণ:-ফিনল্যান্ডের পুনকাহারয়ু এস্কারটি বিখ্যাত।
∆ *বহি:বিধৌত সমভূমি*:
*উত্তর*:-হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিরূপ হল বহিঃধৌত সমভূমি।
∆ *সৃষ্টি*:-হিমাবাহ অধ্যুষিত পর্বতের নিম্ন অঞ্চলের হিমবাহগলিত বিপুল জলরাশি দ্বারা বালি, কাদা, পাথর প্রভৃতি বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গঠিত হয় তাকে বহিঃধৌত সমভূমি বলে।
উদাহরণ:-আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে উত্তরে এই ধরনের সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
মন্তব্যসমূহ