★সিন্ধু (Indus) ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য পূর্ববর্তী নদী (Antecedent river) হল সিন্ধু।
উৎস: তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে সিঙ্গ-খাবাব হিমবাহ থেকে সিন্ধু নদের উৎপত্তি হয়েছে।
প্রবাহপথ: উৎস থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ট্রান্স হিমালয় অংশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর সিন্ধু নদ লাদাখ ও জাস্কার পর্বতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে। লে শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যাক কোন নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এরপর সিন্ধু নদ নাঙ্গা পর্বতের গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণমুখী বাক নিয়ে পাকিস্তানের উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে করাচির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আরব সাগরে পতিত হয়েছে।
দৈর্ঘ্য: সিন্ধুর মোট দৈর্ঘ্য 2880 কিমি. কিন্তু ভারতের এর মাত্র 800.75 কিমি প্রবাহিত হয়েছে।
উপনদী: বাম তীরের পাঁচটি প্রধান উপনদী শতদ্রু, বিপাশা, ইরাবতী, চন্দ্রভাগা ও বিতস্তা।
সিন্ধুর প্রধান উপনদী সমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
উপনদীর নাম-বিতস্তা (Jhelum)
দৈর্ঘ্য (কিমি)-724
উৎস: কাশ্মীর উপত্যকার ভেরিনাগের
কাছে।
মোহনা- শতদ্রুর সাথে মিলিত হয়েছে।
বিশেষ তথ্য:*এর উপনদী গুলি হল লিডার, সিন্ধ, পোহরু।
* কাশ্মীর উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
*চন্দ্রভাগা*(Chenab),
দৈর্ঘ্য (কিমি):1180km
উৎস: লাহুল-স্পিতি উপত্যকার বারালাচালার কাছে
মোহানা-শতদ্রু সাথে মিলিত হয়েছে।
বিশেষ তথ্য: * ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত।
*এই নদীর জল সিন্ধু জল বন্টন চুক্তি অনুসারে পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ।
*ইরাবতী*(Ravi)
দৈর্ঘ্য (কিমি):725
উৎস: হিমাচল প্রদেশে রোটাং গিরিপথের কাছে।
মোহানা-চন্দ্রভাগার সাথে মিলিত হয়েছে।
বিশেষ তথ্য: *এটি'লাহোরের নদী' নামে পরিচিত।
ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা বরাবর বয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করেছে।
বিপাশা*(Beas)
দৈর্ঘ্য (কিমি):460
উৎস: হিমাচল প্রদেশে রোটাং গিরিপথের কাছে
মোহানা-শতদ্রু র সাথে মিলিত হয়েছে।
বিশেষ তথ্য:* ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণ করেছে।
*শতদ্রু*(Sutlej)
দৈর্ঘ্য (কিমি):1450
উৎস: পশ্চিম তিব্বতের মানস সরোবরের রাক্ষস তাল থেকে মোহানা-সিন্ধুর সাথে মিলিত হয়েছে।
বিশেষ তথ্য:* ফিরোজপুর থেকে ফাজিলকা পর্যন্ত প্রবাহ পথে নদীটি ভারত পাকিস্তানের সীমানা নির্দেশ করে।
*ভারতের সর্বোচ্চ ভাকরা-নাঙ্গাল বাঁধ এই নদীর উপর অবস্থিত।
মন্তব্যসমূহ