সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হিমবাহ ক্ষয়কার্যের বোধমূলক প্রশ্ন

হিমবাহ ক্ষয় ও সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ চ্যাপ্টার থেকে যে ধরণের 3marks প্রশ্নগুলি থাকে সেগুলি সুন্দর এবং সরলীকরণ করে তোমাদের সামনে উপস্থাপন করলাম তোমরা বিভিন্ন বই ছাড়াও এই ধরনের নোটগুলি তোমরা পড়তে থাকো এবং দেখবে পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তোমরা পেয়ে যাবে।

১) হিমবাহকে বরফের নদী বলা হয় কেন?
উত্তর:-সুউচ্চ পার্বত্য অঞ্চল বা শীতল মেরু অঞ্চলে হিমরেখার ওপরে সারাবছর তুষারপাত হয়। সেই তুষার দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চিত হয়ে বরফ স্তুপে পরিণত হয়। তারপর ওই জমাটবাধা বরফের স্তুপ সঞ্চিত বরফের চাপে বা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে অত্যন্ত ধীরে ধীরে ভূমির ঢাল বেয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। এইরূপ ধীরগতিসম্পন্ন চলমান বরফের স্তুপ কে হিমবাহ বলে। যেহেতু হিমবাহ মাধ্যাকর্ষণের টানে উপর থেকে নিচে নামে সেহেতু হিমবাহ বরফের নদী বলে।

২) পৃথিবীর সব হিমরেখা একই উচ্চতায় থাকে না কেন?
 উত্তর:-ভূপৃষ্ঠে যে উচ্চতার ওপরে সারাবছর তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে থাকে সেই উচ্চতায় হিমরেখা অবস্থান করে।
সাধারণভাবে বায়ুমন্ডলের নিচের স্তরে সমুদ্রতল থেকে প্রতি 165 মিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা 1°সেলসিয়াস হারে হ্রাস পেতে থাকে। এইভাবে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা কমে গিয়ে যে উচ্চতায় তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে আসে সেখানেই হিমরেখা অবস্থান করে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্যরশ্মি লম্বভাবে কিরণ দেয় আর এখানে সারা বছর গড় তাপমাত্রা থাকে প্রায় 27°সেলসিয়াস। 
স্বাভাবিকভাবেই এখানে 4000 মিটার এর উর্দ্ধে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে থাকে বলে হিমরেখা ঐ উচ্চতায় অবস্থান করে, আবার মেরু অঞ্চলে যেহেতু সারা বছরই তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে আছে, তাই এখানে সমুদ্রতলের হিমরেখা অবস্থান করে।

৩) হিমরেখা সর্বত্র এবং সর্বকালের স্থায়ী হয় না কেন ?
 উত্তর:-হিমরেখা সর্বত্র এবং সর্বকালের স্থায়ী হয়না কারণ—
১) উষ্ণতার তারতম্য:- উষ্ণতার তারতম্যের হিমরেখার অবস্থান এর তারতম্য ঘটে। যেমন—নিচু অক্ষাংশে নিরক্ষরেখার কাছেই হিমরেখা অনেক উঁচুতে অবস্থান করে। আবার উচ্চ অংশে দুই মেরুর দিকে যতই যাওয়া যায় হিমরেখার উচ্চতা ততই কমতে থাকে।
 ২) হিমরেখার জায়গা বদল:-উষ্ণতার তারতম্যের সাথে সাথেই হিমরেখা তার জায়গা বদল করে।
 ৩) হিমরেখার পরিবর্তন:-সাধারণত শীতকালে গ্রীষ্মকালে হিমরেখার পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
 ৪) জলবায়ু পরিবর্তন:-ভূতাত্ত্বিক বিভিন্ন যুগে উষ্ণতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে হিমরেখার পরিবর্তন হয়েছে।
 ৫) হিমরেখার অপসারণ ও সম্প্রসারণ:-বিভিন্ন অন্তবর্তী হিম যুগে হিমরেখার অপসারণ ও সম্প্রসারণ দেখতে পাওয়া যায়।

৪) নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকার আকৃতি পৃথক হয় কেন?
 উত্তর:-নদী উপত্যকা হিমবাহ উপত্যকার আকৃতি পৃথক, কারণ—
∆ নদী উপত্যকা: নদী তার পার্বত্য গতিতে প্রবল স্রোত দ্বারা বাহিত পাথরের টুকরো গুলি দিয়ে নদীগর্ভ কে হয় করলে ও কঠিন শিলাখণ্ডের ওপর দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় বলে পার্শ্ব ক্ষয় অপেক্ষা নিম্ন ক্ষয় বেশি হয় ‌ এই কারণে এই এলাকায় নদী উপত্যকার আকৃতি ইংরেজি V অক্ষরের মত হয়।

∆ হিমবাহ উপত্যকা:-পূর্বে প্রবাহিত নদী দ্বারা গঠিত এমন উপত্যকার মধ্য দিয়ে পরবর্তীকালে হিমবাহ প্রবাহিত হলে নদী ও হিমবাহের ক্ষয় কাজের জন্য উপত্যকার আকৃতি ইংরেজি "U" অক্ষরের মত হয় ‌।

 ৫) উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে হ্রদ দেখা যায় কেন?
 উত্তর:-উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের হিমবাহের ক্ষয় এর ফলে এই বিশিষ্ট ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। সাধারণত উচ্চ পার্বত্য এলাকায় হিমবাহের উৎস ক্ষেত্রে যেখান থেকে হিমবাহ যাত্রা শুরু করে সেই এলাকায় বিশালাকৃতি হিমবাহের প্রবল সংঘর্ষের ফলে পর্বত গাত্রে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এই গর্ত গুলি দেখতে অনেকটা হাতলযুক্ত ডেক চেয়ার এর মতো। এই ধরনের ভূমিরূপ কে ইংরেজিতে করি বলা হয়। এই করি মধ্যে জল জমে হ্রদ সৃষ্টি হলে তাকে করি হ্রদ বলে। তাই করি হ্রদ মূলত উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে দেখা যায়।

৬) হিমবাহ কি কি পদ্ধতিতে ক্ষয় করে?
 উত্তর:- 
হিমবাহের ক্ষয়কাজ:-হিমবাহ প্রধানত দুটি পদ্ধতিতে ক্ষয় কাজ করে। যথা—
 ক) উৎপাটন প্রক্রিয়া—পর্বতের গায়ে যে প্রস্তরখন্ড থাকে তা প্রবহমান হিমবাহের চাপে পর্বতের গা থেকে আলাদা হয়ে যায় একে উৎপাদন প্রক্রিয়া বলে।
 খ) অবঘর্ষ:-প্রবহমান হিমবাহের তলদেশে যে সকল প্রস্তরখন্ড থাকে তার ঘর্ষনে উপত্যাকা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় একে অবঘর্ষ বলে।

৭) হিমাবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে ঝুলন্ত উপত্যকা দেখা যায় কেন?
 উত্তর:-হিমবাহের ক্ষয় কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপটি হলো জুলন্ত উপত্যাকা। অনেক সময় একটি প্রধান হিমবাহের সাথে অনেক ছোট ছোট হিমবাহ এসে মিলিত হয়। প্রধান হিমবাহের ক্ষয় কাজ বেশি হয় বলে উপ হিমবাহের তুলনায় এর উপত্যাকা ও বেশি গভীর হয়। এরূপ অবস্থায় হিমবাহ সরে গেলে উপগ্রহ গুলির উপত্যাকা প্রধান হিমবাহের উপত্যকার অনেক উঁচুতে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে বলে মনে হয় এইজন্য উপত্যকাকে ঝুলন্ত উপতাকা বলে।

 ৮) ঝুলন্ত উপত্যকার নিচে জলপ্রপাত সৃষ্টি হয় কেন?
 উত্তর:-ঝুলন্ত উপত্যকা গুলি প্রধান হিমবাহ উপত্যকার ওপর খাড়াভাবে অবস্থান করে। দুই উপত্যকার মিলনস্থলে উচ্চতার পার্থক্য দেখা যায়। তাই এই উচ্চতার পার্থক্যের জন্য পরবর্তীকালে এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে নদী প্রবাহিত হলে ঝুলন্ত উপত্যকার প্রান্তে প্রায় ই জলপ্রপাত সৃষ্টি হয়।

৯) ‘রসে মতানে’ ও ‘ড্রামলিনের’ মধ্যে পার্থক্য দেখাও?
 উত্তর:-রসে মতানে হিমবাহের ক্ষয় কার্যের ফলে এবং ড্রামলিন হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত হয়। এছাড়া দুটি ভূমিরূপ এর মধ্যে আকৃতিগত পার্থক্য হল—রসেমতানে এর ক্ষেত্রে শিলা স্তূপ টির সামনের অর্থাৎ হিমবাহের দিক মসৃণ এবং বিপরীত দিক টি অমসৃণ। আর ড্রামলিনের ক্ষেত্রে এর ঠিক বিপরীত অর্থাৎ সামনের দিক টি অমসৃণ এবং বিপরীত দিকে মসৃন হয়ে থাকে।

১০) ড্রামলিন অধ্যুষিত অঞ্চল কে ঝুড়ি ভর্তি ডিমের নেয় ভূপ্রকৃতি বলা হয় কেন?
 উত্তর:-অনেক সময় হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে ছোট ছোট শিলাখণ্ড সঞ্চিত হয়ে উল্টানো নৌকার আকৃতি বিশিষ্ট ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। একে ড্রামলিন বলে। অনেক উঁচু জায়গা থেকে দেখলে ড্রামলিন অঞ্চলকে ঝুড়িভর্তি ডিমের মতো দেখায়। তাই ড্রামলিন অধ্যুষিত অঞ্চল কে ঝুড়ি ভর্তি ডিমের ন্যায় ভূপ্রকৃতি বলে।

মন্তব্যসমূহ

আকর্ষণীয় লেখা

Chotanagpur mineral and industrial complex: (ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল):

Chotanagpur mineral and industrial complex:   (ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল): 🚜 অবস্থান ও বিস্তৃতি ভারতের খনিজ ভান্ডার ও শিল্পসমৃদ্ধ ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল টি সমগ্র ঝাড়খন্ড রাজ্য (রাচি, হাজারীবাগ, সিংভূম , ধানবাদ এবং সাঁওতাল পরগনা জেলা) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া জেলার বিস্তারিত। 🚜 অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ: উত্তর অক্ষাংশ ২২ ডিগ্রি থেকে ২৫°৩০`[উত্তর অক্ষাংশ] দ্রাঘিমাংশ ৮৩°৪৭`-৮৭°৫০`[পূর্ব দ্রাঘিমাংশ] 🏗️ ক্ষেত্রফল: প্রায় ৮৬২৩৯ বর্গ কিলোমিটার। 🏭 স্থানের সাপেক্ষে অবস্থান: ছোটনাগপুর অঞ্চলের, উত্তরে মধ্য গঙ্গা সমভূমি, দক্ষিণে উড়িষ্যা রাজ্য ,পূর্বে নিম্ন গাঙ্গেয় সমভূমি ও পশ্চিম মধ্য প্রদেশ রাজ্য ও বাঘেলখন্ড মালভূমি অবস্থিত। 🏭 ভূপ্রকৃতি: রাচি মালভূমি, হাজারীবাগ মালভূমি, কোডারমা মালভূমি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছোটনাগপুর মালভূমির গড় উচ্চতা ৪০০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত। ১)পূর্বদিকে ছোটনাগপুর মালভূমি ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় সমভূমি তে পরিণত হয়েছে এবং ধাপে ধাপে রাঢ় সমভূমি তে নেমে এসেছে। ২) পূর্বের এই সমভূমিতে অনেক ছোট ছোট টিলা দেখা যায়। ৩) ছোট...

ভারতের জনসংখ্যা ও জনগণনা

 *ভারতের জনসংখ্যা ও জনগণনা* ★ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ। (চীন প্রথম) ★ভারতের ক্ষেত্রফল পৃথিবীর মোট ক্ষেত্রফল এর প্রায় 2.4%, অথচ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার 17.50% ভারতে বসবাস করে। ★ভারতে আদম শুমারি শুরু হয়েছিল 1872 সালে। স্বাধীন ভারতের প্রথম আদমশুমারি হয় 1951 সালে। ★ভারতের সর্বশেষ ও পঞ্চম আদমশুমারি হয় 2011 সালে। ∆2011 সালের জনগণনা অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য তথ্য∆ ★জনসংখ্যা ও জনঘনত্ব★ *ভারতের মোট জনসংখ্যা (Total Population) 121,01,93,422 যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা 62.3 কোটি(মোট জনসংখ্যার51.48%) এবং মহিলার সংখ্যা 58.68কোটি(মোটজনসংখ্যার48.52%)। *2001-11 সাল পর্যন্ত ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (Decadal Groth Rate)17.64%। এই সময়ে জনসংখ্যা বেড়েছে 18.2 কোটি। *ভারতে অপ্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা  (Child Population) (0-14 বছর) 37.24 কোটি(মোট জনসংখ্যার  প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা (Adult Population) (15-59 বছর) 72.95কোটি(মোটজনসংখ্যার 60.3%) এবং  60 বছরের উর্ধ্বের জনসংখ্যা(Old Age population)10.83কোটি(মোট জনসংখ্যার 8.9%) *ভারতের নির্ভরশীল জনসংখ্যা-48.07কোটি। *মোট প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যার প্...

ভূগোল জিকে স্টাডি

বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি  W.B.C.S /P.S.C/WBTET/CTET  1.সুন্দরলাল বহুগুনা যে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তা হল- নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন /চের্নোবিল দূর্ঘটনা /তেহরী বাঁধ বিরোধী আন্দোলন /সাইলেন্ট ভ্যালি আন্দোলন।  2.কৃষি ও শিল্পের সর্বাধিক উন্নতি ঘটেছে -নিরক্ষীয়/তুন্দ্রা/ভূ মধ্যসাগরীয়/ মৌসুমি জলবায়ুতে। 3.'প্যাগোডার' দেশ বলা হয়-শ্রীলঙ্কা/নেপাল/ ভুটান /মায়ানমার কে। 4.'স্লিট' বলতে বোঝায়- জলকণা/ শিশির ও জলকণা / তুষার কণা/জল ও তুষার কনা। 5.কোনটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি নয়-স্ট্রম্বলি/মাউন্ট পিলি/ক্রাকাতোয়া/ভিসুভিয়াস।  6.অভিসারী পাত সীমানার বিপরীত পাত সীমানার নাম-গঠনকারী/বিনাশকারী /নিরপেক্ষ /কোনটিই নয়। 7.টিটিকাকা হ্রদ অবস্থিত - বলিভিয়া/দাক্ষিণাত্য /পেরু/টিটিকাকা মালভূমিতে। 8.পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গম রপ্তানীকারক দেশ- আর্জেন্টিনা /কানাডা/ব্রাজিল/ভারত।  9.ওশিয়ানিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম -মাউন্ট কুক/মাউন্ট এভারেস্ট /মাউন্ট উইলহেলম /মাউন্ট কোসিয়াস্কো। 10.ক্যারেজ প্রথায় চাষ করা হয় -শুষ্ক/ক্রান্তীয়/আর্দ্র/নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে।  11.সম্প্রতি পরমাণু দূর্ঘটনা ঘটেছে- ভোপাল/চিন/চের্...

Rabindranath Tagore's life, children, and books

Rabindranath Tagore's life, children, and books. Born: Rabindranath Tagore was born on May 7, 1861, in Calcutta, British India (present-day Kolkata, India). He was the youngest of thirteen children born to Debendranath Tagore and Sarada Devi. Children: Rabindranath Tagore had five children. Two of his children died in childhood, and the other three children were named Rathindranath Tagore, Madhurilata Tagore, and Renuka Tagore. Life: Rabindranath Tagore was a Bengali polymath who contributed significantly to the fields of literature, music, art, and education. He is widely regarded as one of the greatest poets and writers in the Bengali language and is the first non-European to win the Nobel Prize in Literature (1913). Tagore's writings addressed a range of topics, including patriotism, human relationships, and spirituality. He was also a social reformer who worked for the progress of the society and the upliftment of the marginalized sections of the society. He founded Shantin...

সিন্ধু নদীর গতিপথ ও উপনদীর বর্ণনা

  ★সিন্ধু (Indus) ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য পূর্ববর্তী নদী (Antecedent river) হল সিন্ধু। উৎস: তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে সিঙ্গ-খাবাব হিমবাহ থেকে সিন্ধু নদের উৎপত্তি হয়েছে। প্রবাহপথ : উৎস থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ট্রান্স হিমালয় অংশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর সিন্ধু নদ লাদাখ ও জাস্কার পর্বতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে। লে শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যাক কোন নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এরপর সিন্ধু নদ নাঙ্গা পর্বতের গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণমুখী বাক নিয়ে পাকিস্তানের উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে করাচির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আরব সাগরে পতিত হয়েছে। দৈর্ঘ্য: সিন্ধুর মোট দৈর্ঘ্য 2880 কিমি. কিন্তু ভারতের এর মাত্র 800.75 কিমি প্রবাহিত হয়েছে। উপনদী : বাম তীরের পাঁচটি প্রধান উপনদী শতদ্রু, বিপাশা, ইরাবতী, চন্দ্রভাগা ও বিতস্তা। সিন্ধুর প্রধান উপনদী সমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উপনদীর নাম- বিতস্তা (Jhelum) দৈর্ঘ্য (কিমি)- 724  উৎস: কাশ্মীর উপত্যকার ভেরিনাগের   কাছে। মোহনা- শতদ্রুর  সাথে মিলিত হয়েছে। বিশেষ তথ্য:* এর উপনদী গুলি হল লিডার, সিন্ধ, পোহরু। * কাশ্মীর উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্র...

ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয়ের কারণ ও মাটি সংরক্ষণ

১) ★ ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয়ের কারণ গুলি উল্লেখ করো?  অথবা  ভারতে ভূমিক্ষয়ের কারণ গুলি আলোচনা করো?   উত্তর :- ভূমি মাটি ক্ষয়ের কারণ :- প্রধানত দুটি কারণে মাটি হয়ে যায় যেমন— ১) প্রাকৃতিক কারণ,  ২) মানবিক কারণ। ক) প্রাকৃতিক কারণ: ১) স্বল্প বনভূমি:- মাটির ওপর গাছপালা ঘন আবরণ না থাকলে নদীর জল, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টির জল ও সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে মাটি ক্ষয় হয়ে যায়। ২ ) খাড়া ঢাল:-    খাড়া পাহাড়ি ঢালে এর ওপর প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে ঐ বৃষ্টির জলের প্রভাবে মাটির সহজেই ধুয়ে বেরিয়ে যায়। ৩) আলগা মাটি : মাটিতে চটচটে আঠাল ভাব না থাকলে মাটির সহজেই খুজে যায়। এইজন্য মরুভূমির ধারে, সমুদ্রের ধারে মাটি তাড়াতাড়িয় ক্ষয়ে যায়। কারন এই সব এলাকায় মাটিতে বালির ভাগ বেশি থাকায় মাটির বাঁধন আলগা। খ)  মানবিক কারণ : ১) বনভূমি বিলপ:- অতিরিক্ত গাছ কাটার জন্য মাটির দানাগুলি আলগা হয়ে পড়ে। ফলে গাছের শিকড় আর তখন মাটি আঁকড়ে রাখতে পারেনা। ২) অতিরিক্ত পশুচারণ:- পাহাড়ি এলাকায় অতিরিক্ত পশুচারণ করা হলেও ভূমিক্ষয় হয়। ৩) ধাপ চাষ:- পাহাড়ের ঢা...

Here are the themes for International Day for Biological Diversity from 2000 to 2022

Here are the themes for International Day for Biological Diversity from 2000 to 2022: International Day for Biological Diversity This event (22 May, 9-10 EDT) will illustrate the critical interlinkages between freshwater and biodiversity and showcase the outcomes of the UN Biodiversity । International Day for Biological Diversity 22-May-2023 — The United Nations has proclaimed May 22 The International Day for Biological Diversity to increase understanding and awareness of .. International Day for Biological Diversity 2023 International Day of Biodiversity 12-May-2023 — In 2000, the UN General Assembly officially proclaimed May 22 to be the International Day for Biodiversity (IDB). 1. 2000 - "Biodiversity - Food, Water and Health for All" 2. 2001 - "Biodiversity and Poverty Alleviation" 3. 2002 - "Convention on Biological Diversity: Ten Years After" 4. 2003 - "Biodiversity and Biotechnology" 5. 2004 - "Biodiversity: Life Insurance for our Cha...