দক্ষিণ আমেরিকার প্রশাসনিক বিভাগ । দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের চমৎকার তথ্য
১) দক্ষিণ গোলার্ধের ত্রিভুজাকৃতি এই মহাদেশ পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ।
২)আয়তনে মহাদেশটি ভারতের প্রায় পাঁচ গুণ।
৩)পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষের দিকে পোর্তুগিজ নাবিক আমেরিগো ভেসপুচির অভিযানের ফলে এই মহাদেশটির কথা জানা যায়।
৪) দক্ষিণ আমেরিকার ক্ষেত্রমান প্রায় ১.৭৮ কোটি বর্গ কিমি।
৫) দক্ষিণ আমেরিকার উচ্চতম শৃঙ্গ- অ্যাকোনকাগুয়া (৬৯১০মি:)
৬) দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী-আমাজন নদী (দৈর্ঘ্য ৬৪৩৭ কিমি)
৭) দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ- টিটিকাকা হ্রদ (ক্ষেত্রমান ৭৩২০ বর্গ কিমি)
৮) দক্ষিণ আমেরিকার বড়ো দেশ- ব্রাজিল (৮৫১১৯৬৫ বর্গ কিমি)
৯) দক্ষিণ আমেরিকার ছোট দেশ- সুরিনাম (১৬৩৪২০ বর্গ কিমি)
১০) দক্ষিণ আমেরিকার দেশের সংখ্যা কটি- ১৩টি।
১১) পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাত এর নাম কি-এঞ্জেল জলপ্রপাত।
১২) পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বত শ্রেণীর কোনটি-আন্দিজ পর্বতমালা।
১৩) পৃথিবীর বৃহত্তম নদী কোনটি-আমাজন নদী।
১৪)দক্ষিণ আমেরিকা পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ।(আয়তনের দিকে থেকে এশিয়া, আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকার পরেই এর স্থান।)
১৫)দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশটির আয়তন ১,৭৮,২০,৯০০ বর্গকিলোমিটার।
১৬)দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশটি পৃথিবীর মোট স্থলভাগের ১২%।
১৭)দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশটির - বিষুবরেখা ও মকরক্রান্তির দুই পাশ জুড়ে এর বিস্তৃতি।
১৮)দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশটির উত্তরে ক্যারিবীয় সাগর থেকে দক্ষিণে হর্ন অন্তরীপ পর্যন্ত মহাদেশটির দৈর্ঘ্য ৭,৪০০ কিলোমিটার।
১৯)২০০৬ সালে দক্ষিণ আমেরিকায় জনসংখ্যা ছিল ৩৭ কোটি ৬০ লক্ষ, যা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ৬%।
২০) কফির পাত্র কাকে বলে- ব্রাজিলকে বলে।
মন্তব্যসমূহ