সড়ক পরিবহন (Road Transport)
রাস্তার দৈর্ঘ্যের হিসাব অনুযায়ী ভারত পৃথিবীর অন্যতম।
+ ভারতবর্ষের সড়কের মােট দৈর্ঘ্য ৪৪ লক্ষ কিলােমিটারের বেশি।
সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ এবং নির্মাণের ভিত্তিতে সড়ক বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত যেমন—জাতীয় সড়ক, রাজ্য
সড়ক, জেলা সড়ক, গ্রাম্য রাস্তা এবং সীমান্ত রাস্তা।
জাতীয় সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করে কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করে রাজ্য সরকার।
জেলা সড়কগুলি রক্ষণাবেক্ষণ করে জেলা দপ্তর। সীমান্ত রাস্তা ও আন্তর্জাতিক সড়কপথগুলির দায়িত্ব সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় সরকারের।
বর্তমানে ভারতে জাতীয় সড়কের মােট দৈর্ঘ্য 71,000 কি.মি.। মোট সড়কের দৈর্ঘ্যের মাত্র 2%
কিন্তু 40% যান চলাচল করে।
* কিছু গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক হল:
1 নং জাতীয় সড়ক : নতুন দিল্লি-আম্বালা-জলন্ধর-অমৃতসর।
2 নং জাতীয় সড়ক : দিল্লি-মথুরা-আগ্রা-কানপুর-এলাহাবাদ-বারাণসী কলকাতা।
3 নং জাতীয় সড়ক : আগ্রা-গােয়ালিয়র-নাসিক-মুম্বাই।
4 নং জাতীয় সড়ক : সালে-চেন্নাই ভায়া পুনে ও বেলগাঁও।
5 নং জাতীয় সড়ক : কলকাতা-চেন্নাই।
6 নং জাতীয় সড়ক : কলকাতা-ধুলে।
7 নং জাতীয় সড়ক : বারাণসী-কন্যাকুমারী।
৪ নং জাতীয় সড়ক : দিল্লি-মুম্বাই (ভায়া জয়পুর, বরােদা ও আমেদাবাদ)।
9 নং জাতীয় সড়ক : মুম্বাই-বিজয়ওয়াড়া।
10 নং জাতীয় সড়ক : দিল্লি-ফাজিলকা।
11 নং জাতীয় সড়ক : আগ্রা-বিকানীর।
12 নং জাতীয় সড়ক : জবলপুর-জয়পুর।
24 নং জাতীয় সড়ক : দিল্লি-লখনউ।
27 নং জাতীয় সড়ক : এলাহাবাদ-বারাণসী।
28 নং জাতীয় সড়ক : বারাউনি-লখনউ।
29 নং জাতীয় সড়ক : গােরক্ষপুর-বারাণসী।
56 নং জাতীয় সড়ক : লখনউ-বারাণসী।
দ্রষ্টব্যঃ সােনালি চতুর্ভুজ প্রকল্প-চারটি মহানগর দিল্লি, মুম্বাই, চেন্নাই এবং কলকাতাকে যুক্ত করেছে।
এর মােট দৈর্ঘ্য 5846 কি.মি.। এটি ন্যাশনাল হাইওয়েজ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের প্রথম ধাপ।
আকাশপথ পরিবহন (Air Transport)
‘টাটা এয়ারলাইন্স’ 1935 সালে মুম্বাই থেকে তিরুবনন্তপুরম এবং 1937 সালে মুম্বাই থেকে
জে. আর. ডি. টাটা ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি প্রথম মুম্বাই থেকে করাচি পর্যন্ত বিমান উড়িয়েছিলেন।'
দিল্লি বিমান চলাচল শুরু করেন।
ভারতের বিমানবন্দর (Airports in India)
ভারতে অনেকগুলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে, এগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল—
১) রাজীব গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর-হায়দ্রাবাদ।
২) কালিকট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-কালিকট।
৩) ছত্রপতি শিবাজী আন্তর্জাতিক বিমানন্দর—মুম্বাই।
৪) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর-চেন্নাই।
৫) বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেঙ্গালুরু।
৬) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-বারাণসী।
৭) লােকপ্রিয় গােপীনাথ বরদলই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—গুয়াহাটি।
৮) ইন্দিরা গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-দিল্লি।
৯)নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-কলকাতা।
১০)গুরুরামদাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—অমৃতসর।
১১)সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—আমেদাবাদ।
১২) তিরুবনন্তপুর আন্তর্জাতিক-বিমানবন্দরতিরুবনন্তপুরম।
১৩) জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-জয়পুর।
১৪) কোচিন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কোচি।
১৫) বীর সাভারকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর—পাের্ট ব্লেয়ার
১৬) বিজু পট্টনায়ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-ভুবনেশ্বর।
১৭) ইম্ফল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-ইম্ফল।
১৮) ইন্দিরা গান্ধি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ছত্রপতি শিবাজী বিমানবন্দর দক্ষিণ এশিয়ায় অর্ধেকের বেশি বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। এই বিমানবন্দরগুলি ছাড়াও ভারতে অনেকগুলি জাতীয় বিমানবন্দর আছে।
ভারতের বেশিরভাগ বিমানবন্দরগুলিই এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার নিজস্ব মালিকানাধীন। এর
ব্যবস্থাপনায় বিমানবন্দরগুলির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, জাতীয় বিমানবন্দর, কাস্টমস বিমানবন্দর ও সিফিল এনক্লেভস এই চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
জলপথ পরিবহন ব্যবস্থা (Water Transport)
সব চাইতে কম খরচে ও পরিবেশবন্ধু যাতায়াত মাধ্যম হল পরিবহন।ভারতে প্রায় 14,500 কি.মি. জলপথে যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে বিভিন্ন নদী, খাল ইত্যাদির
মন্তব্যসমূহ