পশ্চিমবঙ্গ পরিচিতি
ভূমিকা : পশ্চিমবঙ্গ আয়তনের দিক থেকে ভারতের ২৮টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে দ্বাদশ স্থানের অধিকারী। জনসংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ স্থান অধিকার করে।
সাল 2022 এর তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের মোট জেলা হল 30টি। এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মোট জেলার সংখ্যা ছিল 23টি কিন্তু 1লা আগস্ট 2022 মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 7টি নতুন জেলার নাম ঘোষনা করেন, যার ফলে 23+7=30টি জেলায় পরিণত হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গ মোট 30টি জেলা নিয়ে গঠিত। চলুন এখন জেনে নেই এই জেলাগুলির নাম।
2023 পশ্চিমবঙ্গের 30টি জেলা পরিণত রূপ পাবে।
১) আলিপুরদুয়ার (Alipurduar)
২)দার্জিলিং (Darjeeling)
৩) জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri)
৪) কালিম্পং (Kalimpong)
৫) কোচবিহার (Cooch Behar)
৬) উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur)
৭) দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur/ South Dinajpur)
৮) মালদা (Malda)
৯) মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)
১০) নদিয়া (Nadia)
১১) পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Burdwan : বর্ধমান)
১২) পূর্ব বর্ধমান (Purba Burdwan: বর্ধমান )
১৩) বাঁকুড়া (Bankura)
১৪) বীরভূম (Birbhum)
১৫) হুগলী (Hooghly)
১৬) হাওড়া (Howrah)
১৭) কলকাতা (Kolkata)
১৮) পুরুলিয়া (Purulia)
১৯) ঝাড়গ্রাম (Jhargram)
২০) পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur)
২১) পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur)
২২) উত্তর 24 পরগনা (North 24 Parganas)
২৩) দক্ষিণ 24 পরগনা (South 24 Parganas)
প্রস্তাবিত নতুন জেলা
২৪) সুন্দরবন (নতুন জেলা )
২৫) ইছামতি (নতুন জেলা )
২৬) বসিরহাট (নতুন জেলা )
২৭) বহরমপুর (নতুন জেলা )
২৮) রানাঘাট (নতুন জেলা )
২৯) বিষ্ণুপুর (নতুন জেলা )
৩০) কান্দি (নতুন জেলা )
নতুন 7টি জেলা আগামী 6 মাসের মধ্যেই সরকার দ্বারা একটি জেলার জন্য সমস্ত নথিপত্র এবং নাম সমস্তকিছুর কাজ সম্পূর্ণ করবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গের আয়তন : ৮৮,৭৫১ বর্গকিমি
জনসংখ্যা : ৮,০২,২১,১৭১ জন (২০০১ -এর জনগণনা অনুযায়ী)
জনসংখ্যার ঘনত্ব : ৯০৪ প্রতিবর্গকিমিতে।
রাজধানী : কলকাতা
আয়তন: দিক থেকে ভারতের মধ্যে স্থান দ্বাদশ
জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের মধ্যে স্থান: চতুর্থ
পুরুষ : ৭৭.৫৮%
মহিলা : ৬০.২২%
শিক্ষার হার : 69.22%
প্রধান কৃষিজ ফসল: ধান, পাট, চা ইক্ষু
বন্দর : কলকাতা ও হলদিয়া
লৌহ-ইস্পাত কারখানা : দুর্গাপুর, বার্ণপুর, কুলটি
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র : ফারাক্কা, কোলাঘাট, ব্যান্ডেল
প্রধান বিচারালয় : হাইকোর্ট
গভীর বনভূমি : সুন্দরবন
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিষয়ে প্রথম (পুরুষ)
রাজ্যপাল : চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী
মুখ্যমন্ত্রী: ডঃ প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষ
শেরিফ : দিগম্বর মিত্র
নির্বাচন কমিশনার : সুকুমার সেন
কংগ্রেস সভাপতি : উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
রবীন্দ্র পুরস্কার প্রাপক : নীহাররঞ্জন গুপ্ত
ভারতরত্ন প্রাপক : ড. বিধানচন্দ্র রায়
জ্ঞানপীঠ ও আকাদেমী পুরস্কার : তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ম্যাগসাই পুরস্কার : অমিতাভ চৌধুরী
নোবেল পুরস্কার: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নৌবাহিনীর অধ্যক্ষ : এ. কে. চ্যাটার্জী
স্থলবাহিনীর অধ্যক্ষ : জয়ন্ত চৌধুরী
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর : পরেশ ভট্টাচার্য
জাতীয় অধ্যাপক : সত্যেন্দ্রনাথ বসু
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি : স্যার ব্রজেন্দ্রনাথ মিত্র।
বিলাত যাত্রী : রাজা রামমোহন রায় লন্ডনের।
ডি.এস.সি. : স্যার জগদীশচন্দ্র বসু।
বৈমানিক : ইন্দ্রলাল রায়
সার্জেন জেনারেল : মন্মথ রায় চৌধুরী
সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
কেম্ব্রিজ বিদ্যালয়ের র্যংলার : আনন্দমোহন বসু
ব্যারিস্টারী পরীক্ষায় প্রথম: স্যার হেরেন্দ্রনাথ সরকার
ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী : মিহির সেন.
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র পরিচালক : সত্যজিৎ রায়
বিদেশে বিচারকরূপে নিযুক্তি : ড. রাধাবিনোদ পাল
জ্ঞানপীঠ পুরস্কার : আশাপূর্ণ দেবী
বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রথম বাঙালি (মহিলা)
কলকাতার শেরিফ : সুচিত্রা মিত্র
রাজ্যপাল ও কংগ্রেস সভানেত্রী : সরোজিনী নাইডু ।
মুখ্যমন্ত্রী ও লোকসভার সদস্যা : সুচেতা কৃপালিনী
রাজ্যের মন্ত্রী : রেণুকা রায় ।
প্রথম রাজ্যপাল : সরোজিনী নাইডু
ভাইস চ্যান্সেলার : ড. রমা চৌধুরী
পূর্ব ভারতের ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিরেক্টর : সুজাতা সেন
এম.এ. পাস : কামিনী রায়
গ্র্যাজুয়েট : চন্দ্রমুখী বসু, কাদম্বিনী গাঙ্গুলী
অন্ধ ম্যাট্রিকুলেট : সবিতা রায়চৌধুরী
লেলিন শান্তি পুরস্কার : অরুণা আসফ আলি।
শহীদ : প্রীতিলতা ওয়েদ্দেদার
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি : রুমা পাল
সাঁতারে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমরকারী : আরতি সাহা
আই.এ.এস. : রমা মজুমদার
কমার্শিয়াল পাইলট : দূর্বা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশ্বসুন্দরী : সুস্মিতা সেন ।
আকাদেমী পুরস্কার : মৈত্রেয়ী দেবী।
দক্ষিণমেরু যাত্রী : সুদীপ্তা সেনগুপ্ত
ইঞ্জিনিয়ার : ইলা মজুমদার
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো : সরলা রায়
জেলাশাসক : রাণু ঘোষ
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালগণ
১) চক্রবর্তী রাজা গোপালাচারী (১৯৪৭-৪৮)
২) বি. এল. মিত্র (অস্থায়ী '১৯৪৮)
৩) কৈলাশ কাটজু (১৯৪৮-৫১)
৪) ড. হরেন্দ্রকুমার মুখোপাধ্যায় (১৯৫১-১৯৫৬)
৫) সুরজিৎ লাহিড়ী (অস্থায়ী ১৯৫৬)
৬) শ্রীমতী পদ্মজা নাইডু (১৯৫৬-৬৭)
৭) ধরমবীর (১৯৬৭-১৯৬৯)
৮) দীপনারায়ণ সিংহ (অস্থায়ী ১৯৬৯)
৯) শাস্তিস্বরূপ ধাওয়ান (১৯৬৯-৭১)
১০) এ. এল. ডায়াস (১৯৭১-১৯৭৭)
১১) ত্রিভুবন নারায়ণ সিংহ (১৯৭৭-১৯৮১)
১২) ভৈরব দত্ত পাণ্ডে (১৯৮১-৮৩)
১৩) এ. পি. শৰ্মা (১৯৮৩-৮৪)
১৪) উমাশঙ্কর দীক্ষিত (১৯৮৪-৮৬)
১৫) সৈয়দ নরুল হাসান (১৯৮৬-৮৯)
১৬) টি. ভি. রাজেশ্বর (১৯৮৯-৯০)
১৭) সৈয়দ নরুল হাসান (১৯৯০-৯৩)
১৮) কে. ভি. রঘুনাথ রেড্ডি (১৯৯৩-৯৮)
১৯) এ. আর. কিদোয়াই (১৯৯৮-৯৯)
২০) শ্যামলকুমার সেন (অস্থায়ী ১৯৯৯)
২১) বীরেন জে শাহ (১৯৯৯-২০০৪)
২৩) গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী (২০০৪-২০০৯)
২৪) দেবানন্দ কুঁয়াড় (অস্থায়ী ২০০৯)
২৫) মায়ানকোটে কেলাথ নারায়ণ (২০১০-২০১৪)
২৬) কেশরীনাথ ত্রিপাঠি (২০১৪-২০১৯)
২৭) জগদীপ ঢাঙ্ককর (২০১৯-বর্তমান)
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীগণ
১) ডঃ প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ (১৯৪৭-৪৮ )
২) ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় (১৯৪৮-১৯৬২)
৩) প্রফুলচন্দ্র সেন (১৯৬২-৬৭)
৪) অজয়কুমার মুখার্জী (১৯৬৭)
৫) ডঃ প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষ (১৯৬৭-৬৮)
৬) অজয় কুমার মুখার্জী (১৯৬৯-১৯৭১)
৭) সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় (১৯৭২-৭৭)
৮) জ্যোতি বসু (১৯৭৭-2000)
৯) বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (২০০০-২০১১)
১০) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (২০১১-বর্তমান)
মন্তব্যসমূহ