সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রাইমারি ইন্টারভিউ প্রস্তুতি |পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্কে|primary interview preparation

পশ্চিমবঙ্গ পরিচিতি

ভূমিকা : পশ্চিমবঙ্গ আয়তনের দিক থেকে ভারতের ২৮টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে দ্বাদশ স্থানের অধিকারী। জনসংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ স্থান অধিকার করে। 

সাল 2022 এর তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের মোট জেলা হল 30টি। এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মোট জেলার সংখ্যা ছিল 23টি কিন্তু 1লা আগস্ট 2022 মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 7টি নতুন জেলার নাম ঘোষনা করেন, যার ফলে 23+7=30টি জেলায় পরিণত হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ মোট 30টি জেলা নিয়ে গঠিত। চলুন এখন জেনে নেই এই জেলাগুলির নাম।

2023 পশ্চিমবঙ্গের 30টি জেলা পরিণত রূপ পাবে।

১) আলিপুরদুয়ার (Alipurduar)

২)দার্জিলিং (Darjeeling)

৩) জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri)

৪) কালিম্পং (Kalimpong)

৫) কোচবিহার (Cooch Behar)

৬) উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur)

৭) দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur/ South Dinajpur)

৮) মালদা (Malda)

৯) মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)

১০) নদিয়া (Nadia)

১১) পশ্চিম বর্ধমান (Paschim Burdwan : বর্ধমান)

১২) পূর্ব বর্ধমান (Purba Burdwan: বর্ধমান )

১৩) বাঁকুড়া (Bankura)

১৪) বীরভূম (Birbhum)

১৫) হুগলী (Hooghly)

১৬) হাওড়া (Howrah)

১৭) কলকাতা (Kolkata)

১৮) পুরুলিয়া (Purulia)

১৯) ঝাড়গ্রাম (Jhargram)

২০) পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur)

২১) পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur)

২২) উত্তর 24 পরগনা (North 24 Parganas)

২৩) দক্ষিণ 24 পরগনা (South 24 Parganas)

প্রস্তাবিত নতুন জেলা

২৪) সুন্দরবন (নতুন জেলা )

২৫) ইছামতি (নতুন জেলা )

২৬) বসিরহাট (নতুন জেলা )

২৭) বহরমপুর (নতুন জেলা )

২৮) রানাঘাট (নতুন জেলা )

২৯) বিষ্ণুপুর (নতুন জেলা )

৩০) কান্দি (নতুন জেলা )

নতুন 7টি জেলা আগামী 6 মাসের মধ্যেই সরকার দ্বারা একটি জেলার জন্য সমস্ত নথিপত্র এবং নাম সমস্তকিছুর কাজ সম্পূর্ণ করবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন।


পশ্চিমবঙ্গের আয়তন : ৮৮,৭৫১ বর্গকিমি

জনসংখ্যা : ৮,০২,২১,১৭১ জন (২০০১ -এর জনগণনা অনুযায়ী) 

জনসংখ্যার ঘনত্ব : ৯০৪ প্রতিবর্গকিমিতে। 

রাজধানী : কলকাতা

আয়তন: দিক থেকে ভারতের মধ্যে স্থান দ্বাদশ

জনসংখ্যার দিক থেকে ভারতের মধ্যে স্থান:  চতুর্থ

পুরুষ : ৭৭.৫৮%

মহিলা : ৬০.২২%

শিক্ষার হার : 69.22% 

প্রধান কৃষিজ ফসল: ধান, পাট, চা ইক্ষু 

বন্দর : কলকাতা ও হলদিয়া

লৌহ-ইস্পাত কারখানা : দুর্গাপুর, বার্ণপুর, কুলটি

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র : ফারাক্কা, কোলাঘাট, ব্যান্ডেল 

প্রধান বিচারালয় : হাইকোর্ট

গভীর বনভূমি : সুন্দরবন

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বিষয়ে প্রথম (পুরুষ)


রাজ্যপাল : চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী

মুখ্যমন্ত্রী: ডঃ প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষ

শেরিফ : দিগম্বর মিত্র

নির্বাচন কমিশনার : সুকুমার সেন

কংগ্রেস সভাপতি : উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

রবীন্দ্র পুরস্কার প্রাপক : নীহাররঞ্জন গুপ্ত

ভারতরত্ন প্রাপক : ড. বিধানচন্দ্র রায়

জ্ঞানপীঠ ও আকাদেমী পুরস্কার : তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় 

ম্যাগসাই পুরস্কার : অমিতাভ চৌধুরী

নোবেল পুরস্কার: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

নৌবাহিনীর অধ্যক্ষ : এ. কে. চ্যাটার্জী

স্থলবাহিনীর অধ্যক্ষ : জয়ন্ত চৌধুরী

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর : পরেশ ভট্টাচার্য

জাতীয় অধ্যাপক : সত্যেন্দ্রনাথ বসু 

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি : স্যার ব্রজেন্দ্রনাথ মিত্র।

বিলাত যাত্রী : রাজা রামমোহন রায় লন্ডনের।

ডি.এস.সি. : স্যার জগদীশচন্দ্র বসু।

বৈমানিক : ইন্দ্রলাল রায় 

সার্জেন জেনারেল : মন্মথ রায় চৌধুরী

সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ : ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

কেম্ব্রিজ বিদ্যালয়ের র‍্যংলার : আনন্দমোহন বসু

ব্যারিস্টারী পরীক্ষায় প্রথম: স্যার হেরেন্দ্রনাথ সরকার

ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী : মিহির সেন.

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র পরিচালক : সত্যজিৎ রায় 

বিদেশে বিচারকরূপে নিযুক্তি : ড. রাধাবিনোদ পাল

জ্ঞানপীঠ পুরস্কার : আশাপূর্ণ দেবী

বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রথম বাঙালি (মহিলা) 


কলকাতার শেরিফ : সুচিত্রা মিত্র

রাজ্যপাল ও কংগ্রেস সভানেত্রী : সরোজিনী নাইডু ।

মুখ্যমন্ত্রী ও লোকসভার সদস্যা : সুচেতা কৃপালিনী

রাজ্যের মন্ত্রী : রেণুকা রায় ।

প্রথম রাজ্যপাল : সরোজিনী নাইডু

ভাইস চ্যান্সেলার : ড. রমা চৌধুরী 

পূর্ব ভারতের ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডিরেক্টর : সুজাতা সেন 

এম.এ. পাস : কামিনী রায়

গ্র্যাজুয়েট : চন্দ্রমুখী বসু, কাদম্বিনী গাঙ্গুলী

অন্ধ ম্যাট্রিকুলেট : সবিতা রায়চৌধুরী

লেলিন শান্তি পুরস্কার : অরুণা আসফ আলি।

 শহীদ : প্রীতিলতা ওয়েদ্দেদার

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি : রুমা পাল

সাঁতারে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমরকারী : আরতি সাহা

আই.এ.এস. : রমা মজুমদার

কমার্শিয়াল পাইলট : দূর্বা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিশ্বসুন্দরী : সুস্মিতা সেন । 

আকাদেমী পুরস্কার : মৈত্রেয়ী দেবী।

দক্ষিণমেরু যাত্রী : সুদীপ্তা সেনগুপ্ত

ইঞ্জিনিয়ার : ইলা মজুমদার

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেলো : সরলা রায়

জেলাশাসক : রাণু ঘোষ

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালগণ


১) চক্রবর্তী রাজা গোপালাচারী (১৯৪৭-৪৮) 

২) বি. এল. মিত্র (অস্থায়ী '১৯৪৮)

৩) কৈলাশ কাটজু (১৯৪৮-৫১)

৪) ড. হরেন্দ্রকুমার মুখোপাধ্যায় (১৯৫১-১৯৫৬)

৫) সুরজিৎ লাহিড়ী (অস্থায়ী ১৯৫৬)

৬) শ্রীমতী পদ্মজা নাইডু (১৯৫৬-৬৭) 

৭) ধরমবীর (১৯৬৭-১৯৬৯)

৮) দীপনারায়ণ সিংহ (অস্থায়ী ১৯৬৯)

৯) শাস্তিস্বরূপ ধাওয়ান (১৯৬৯-৭১) 

১০) এ. এল. ডায়াস (১৯৭১-১৯৭৭)

১১) ত্রিভুবন নারায়ণ সিংহ (১৯৭৭-১৯৮১)

১২) ভৈরব দত্ত পাণ্ডে (১৯৮১-৮৩)

১৩) এ. পি. শৰ্মা (১৯৮৩-৮৪)

১৪) উমাশঙ্কর দীক্ষিত (১৯৮৪-৮৬)

১৫) সৈয়দ নরুল হাসান (১৯৮৬-৮৯)

১৬) টি. ভি. রাজেশ্বর (১৯৮৯-৯০)

১৭) সৈয়দ নরুল হাসান (১৯৯০-৯৩)

১৮) কে. ভি. রঘুনাথ রেড্ডি (১৯৯৩-৯৮)

১৯) এ. আর. কিদোয়াই (১৯৯৮-৯৯)

২০) শ্যামলকুমার সেন (অস্থায়ী ১৯৯৯)

২১) বীরেন জে শাহ (১৯৯৯-২০০৪)

২৩) গোপাল কৃষ্ণ গান্ধী (২০০৪-২০০৯)

২৪) দেবানন্দ কুঁয়াড় (অস্থায়ী ২০০৯)

২৫) মায়ানকোটে কেলাথ নারায়ণ (২০১০-২০১৪)

২৬) কেশরীনাথ ত্রিপাঠি (২০১৪-২০১৯)

২৭) জগদীপ ঢাঙ্ককর (২০১৯-বর্তমান)

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীগণ


১) ডঃ প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ (১৯৪৭-৪৮ )

২) ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় (১৯৪৮-১৯৬২)

৩) প্রফুলচন্দ্র সেন (১৯৬২-৬৭)

৪) অজয়কুমার মুখার্জী (১৯৬৭)

৫) ডঃ প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষ (১৯৬৭-৬৮) 

৬) অজয় কুমার মুখার্জী (১৯৬৯-১৯৭১)

৭) সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় (১৯৭২-৭৭)

৮) জ্যোতি বসু (১৯৭৭-2000)

৯) বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য (২০০০-২০১১)

১০) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (২০১১-বর্তমান)


মন্তব্যসমূহ

আকর্ষণীয় লেখা

Chotanagpur mineral and industrial complex: (ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল):

Chotanagpur mineral and industrial complex:   (ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল): 🚜 অবস্থান ও বিস্তৃতি ভারতের খনিজ ভান্ডার ও শিল্পসমৃদ্ধ ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল টি সমগ্র ঝাড়খন্ড রাজ্য (রাচি, হাজারীবাগ, সিংভূম , ধানবাদ এবং সাঁওতাল পরগনা জেলা) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া জেলার বিস্তারিত। 🚜 অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ: উত্তর অক্ষাংশ ২২ ডিগ্রি থেকে ২৫°৩০`[উত্তর অক্ষাংশ] দ্রাঘিমাংশ ৮৩°৪৭`-৮৭°৫০`[পূর্ব দ্রাঘিমাংশ] 🏗️ ক্ষেত্রফল: প্রায় ৮৬২৩৯ বর্গ কিলোমিটার। 🏭 স্থানের সাপেক্ষে অবস্থান: ছোটনাগপুর অঞ্চলের, উত্তরে মধ্য গঙ্গা সমভূমি, দক্ষিণে উড়িষ্যা রাজ্য ,পূর্বে নিম্ন গাঙ্গেয় সমভূমি ও পশ্চিম মধ্য প্রদেশ রাজ্য ও বাঘেলখন্ড মালভূমি অবস্থিত। 🏭 ভূপ্রকৃতি: রাচি মালভূমি, হাজারীবাগ মালভূমি, কোডারমা মালভূমি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছোটনাগপুর মালভূমির গড় উচ্চতা ৪০০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত। ১)পূর্বদিকে ছোটনাগপুর মালভূমি ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় সমভূমি তে পরিণত হয়েছে এবং ধাপে ধাপে রাঢ় সমভূমি তে নেমে এসেছে। ২) পূর্বের এই সমভূমিতে অনেক ছোট ছোট টিলা দেখা যায়। ৩) ছোট...

ভূগোল জিকে স্টাডি

বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি  W.B.C.S /P.S.C/WBTET/CTET  1.সুন্দরলাল বহুগুনা যে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তা হল- নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন /চের্নোবিল দূর্ঘটনা /তেহরী বাঁধ বিরোধী আন্দোলন /সাইলেন্ট ভ্যালি আন্দোলন।  2.কৃষি ও শিল্পের সর্বাধিক উন্নতি ঘটেছে -নিরক্ষীয়/তুন্দ্রা/ভূ মধ্যসাগরীয়/ মৌসুমি জলবায়ুতে। 3.'প্যাগোডার' দেশ বলা হয়-শ্রীলঙ্কা/নেপাল/ ভুটান /মায়ানমার কে। 4.'স্লিট' বলতে বোঝায়- জলকণা/ শিশির ও জলকণা / তুষার কণা/জল ও তুষার কনা। 5.কোনটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি নয়-স্ট্রম্বলি/মাউন্ট পিলি/ক্রাকাতোয়া/ভিসুভিয়াস।  6.অভিসারী পাত সীমানার বিপরীত পাত সীমানার নাম-গঠনকারী/বিনাশকারী /নিরপেক্ষ /কোনটিই নয়। 7.টিটিকাকা হ্রদ অবস্থিত - বলিভিয়া/দাক্ষিণাত্য /পেরু/টিটিকাকা মালভূমিতে। 8.পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গম রপ্তানীকারক দেশ- আর্জেন্টিনা /কানাডা/ব্রাজিল/ভারত।  9.ওশিয়ানিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম -মাউন্ট কুক/মাউন্ট এভারেস্ট /মাউন্ট উইলহেলম /মাউন্ট কোসিয়াস্কো। 10.ক্যারেজ প্রথায় চাষ করা হয় -শুষ্ক/ক্রান্তীয়/আর্দ্র/নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে।  11.সম্প্রতি পরমাণু দূর্ঘটনা ঘটেছে- ভোপাল/চিন/চের্...

Rabindranath Tagore's life, children, and books

Rabindranath Tagore's life, children, and books. Born: Rabindranath Tagore was born on May 7, 1861, in Calcutta, British India (present-day Kolkata, India). He was the youngest of thirteen children born to Debendranath Tagore and Sarada Devi. Children: Rabindranath Tagore had five children. Two of his children died in childhood, and the other three children were named Rathindranath Tagore, Madhurilata Tagore, and Renuka Tagore. Life: Rabindranath Tagore was a Bengali polymath who contributed significantly to the fields of literature, music, art, and education. He is widely regarded as one of the greatest poets and writers in the Bengali language and is the first non-European to win the Nobel Prize in Literature (1913). Tagore's writings addressed a range of topics, including patriotism, human relationships, and spirituality. He was also a social reformer who worked for the progress of the society and the upliftment of the marginalized sections of the society. He founded Shantin...

ভারতের জনসংখ্যা ও জনগণনা

 *ভারতের জনসংখ্যা ও জনগণনা* ★ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ। (চীন প্রথম) ★ভারতের ক্ষেত্রফল পৃথিবীর মোট ক্ষেত্রফল এর প্রায় 2.4%, অথচ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার 17.50% ভারতে বসবাস করে। ★ভারতে আদম শুমারি শুরু হয়েছিল 1872 সালে। স্বাধীন ভারতের প্রথম আদমশুমারি হয় 1951 সালে। ★ভারতের সর্বশেষ ও পঞ্চম আদমশুমারি হয় 2011 সালে। ∆2011 সালের জনগণনা অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য তথ্য∆ ★জনসংখ্যা ও জনঘনত্ব★ *ভারতের মোট জনসংখ্যা (Total Population) 121,01,93,422 যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা 62.3 কোটি(মোট জনসংখ্যার51.48%) এবং মহিলার সংখ্যা 58.68কোটি(মোটজনসংখ্যার48.52%)। *2001-11 সাল পর্যন্ত ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (Decadal Groth Rate)17.64%। এই সময়ে জনসংখ্যা বেড়েছে 18.2 কোটি। *ভারতে অপ্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা  (Child Population) (0-14 বছর) 37.24 কোটি(মোট জনসংখ্যার  প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা (Adult Population) (15-59 বছর) 72.95কোটি(মোটজনসংখ্যার 60.3%) এবং  60 বছরের উর্ধ্বের জনসংখ্যা(Old Age population)10.83কোটি(মোট জনসংখ্যার 8.9%) *ভারতের নির্ভরশীল জনসংখ্যা-48.07কোটি। *মোট প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যার প্...

সিন্ধু নদীর গতিপথ ও উপনদীর বর্ণনা

  ★সিন্ধু (Indus) ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য পূর্ববর্তী নদী (Antecedent river) হল সিন্ধু। উৎস: তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে সিঙ্গ-খাবাব হিমবাহ থেকে সিন্ধু নদের উৎপত্তি হয়েছে। প্রবাহপথ : উৎস থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ট্রান্স হিমালয় অংশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর সিন্ধু নদ লাদাখ ও জাস্কার পর্বতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে। লে শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যাক কোন নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এরপর সিন্ধু নদ নাঙ্গা পর্বতের গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণমুখী বাক নিয়ে পাকিস্তানের উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে করাচির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আরব সাগরে পতিত হয়েছে। দৈর্ঘ্য: সিন্ধুর মোট দৈর্ঘ্য 2880 কিমি. কিন্তু ভারতের এর মাত্র 800.75 কিমি প্রবাহিত হয়েছে। উপনদী : বাম তীরের পাঁচটি প্রধান উপনদী শতদ্রু, বিপাশা, ইরাবতী, চন্দ্রভাগা ও বিতস্তা। সিন্ধুর প্রধান উপনদী সমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উপনদীর নাম- বিতস্তা (Jhelum) দৈর্ঘ্য (কিমি)- 724  উৎস: কাশ্মীর উপত্যকার ভেরিনাগের   কাছে। মোহনা- শতদ্রুর  সাথে মিলিত হয়েছে। বিশেষ তথ্য:* এর উপনদী গুলি হল লিডার, সিন্ধ, পোহরু। * কাশ্মীর উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্র...

ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয়ের কারণ ও মাটি সংরক্ষণ

১) ★ ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয়ের কারণ গুলি উল্লেখ করো?  অথবা  ভারতে ভূমিক্ষয়ের কারণ গুলি আলোচনা করো?   উত্তর :- ভূমি মাটি ক্ষয়ের কারণ :- প্রধানত দুটি কারণে মাটি হয়ে যায় যেমন— ১) প্রাকৃতিক কারণ,  ২) মানবিক কারণ। ক) প্রাকৃতিক কারণ: ১) স্বল্প বনভূমি:- মাটির ওপর গাছপালা ঘন আবরণ না থাকলে নদীর জল, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টির জল ও সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে মাটি ক্ষয় হয়ে যায়। ২ ) খাড়া ঢাল:-    খাড়া পাহাড়ি ঢালে এর ওপর প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে ঐ বৃষ্টির জলের প্রভাবে মাটির সহজেই ধুয়ে বেরিয়ে যায়। ৩) আলগা মাটি : মাটিতে চটচটে আঠাল ভাব না থাকলে মাটির সহজেই খুজে যায়। এইজন্য মরুভূমির ধারে, সমুদ্রের ধারে মাটি তাড়াতাড়িয় ক্ষয়ে যায়। কারন এই সব এলাকায় মাটিতে বালির ভাগ বেশি থাকায় মাটির বাঁধন আলগা। খ)  মানবিক কারণ : ১) বনভূমি বিলপ:- অতিরিক্ত গাছ কাটার জন্য মাটির দানাগুলি আলগা হয়ে পড়ে। ফলে গাছের শিকড় আর তখন মাটি আঁকড়ে রাখতে পারেনা। ২) অতিরিক্ত পশুচারণ:- পাহাড়ি এলাকায় অতিরিক্ত পশুচারণ করা হলেও ভূমিক্ষয় হয়। ৩) ধাপ চাষ:- পাহাড়ের ঢা...

Here are the themes for International Day for Biological Diversity from 2000 to 2022

Here are the themes for International Day for Biological Diversity from 2000 to 2022: International Day for Biological Diversity This event (22 May, 9-10 EDT) will illustrate the critical interlinkages between freshwater and biodiversity and showcase the outcomes of the UN Biodiversity । International Day for Biological Diversity 22-May-2023 — The United Nations has proclaimed May 22 The International Day for Biological Diversity to increase understanding and awareness of .. International Day for Biological Diversity 2023 International Day of Biodiversity 12-May-2023 — In 2000, the UN General Assembly officially proclaimed May 22 to be the International Day for Biodiversity (IDB). 1. 2000 - "Biodiversity - Food, Water and Health for All" 2. 2001 - "Biodiversity and Poverty Alleviation" 3. 2002 - "Convention on Biological Diversity: Ten Years After" 4. 2003 - "Biodiversity and Biotechnology" 5. 2004 - "Biodiversity: Life Insurance for our Cha...