1) ★প্লাবন খাল ও নিত্যবহ খাল এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।
∆ প্লাবন খাল :-
১) এই ধরনের খালে মূলত বর্ষাকালে জল থাকে।
২) প্লাবন খাল গুলি বেশিরভাগই প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্টি হয়েছে।
৩) এই খালগুলি সাধারণত বর্ষার জলে পুষ্ট নদী থেকে সৃষ্টি হয়।
৪) বন্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫) মূলত নদীর বদ্বীপ এলাকাতেই এই ধরনের কাল বেশি দেখা যায়।
৬) কৃষির উন্নতিতে এই খালের ভূমিকা গৌণ।
∆ নিত্যবহ খাল:-
১) এই ধরনের খালে সারাবছরই জল থাকে।
২) নিত্যবহ খাল গুলি বেশিরভাগই মানুষের দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে।
৩) এই খালগুলি সাধারণত বরফ গলা জলে পুষ্ট নদী থেকে সৃষ্টি হয়।
৪) বন্যা নিয়ন্ত্রণের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ নয়।
৫) নদীর যে কোন প্রবাহে এই ধরনের কাল দেখা যায়।
2). ★ভারতের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সেচ খালের নাম করো?
উত্তর:-ভারতের উল্লেখযোগ্য সেচ খাল গুলি হল—
১) আগ্রা খাল (উত্তর প্রদেশ)
২) সারদা খাল (উত্তর প্রদেশ)
৩) ইডেন খাল (পশ্চিমবঙ্গ)
৪) তুঙ্গ ভদ্রা খাল (অন্ধ্রপ্রদেশ)
৫) মেত্তুর খাল (তামিলনাড়ু)
৬) পেরিয়ার খাল (কেরালা)
৭) পাটনা খাল (বিহার)।
3) ★ভারতের কোন অঞ্চলে জলাশয় এর সাহায্যে জলসেচের অধিক প্রচলন রয়েছে?
4) ★কূপ বা নলকূপের সাহায্যে কোন কোন রাজ্যে জলসেচের প্রচলন দেখা যায়?
উত্তর:-ভারতের উত্তর প্রদেশে, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ প্রভৃতি রাজ্যে কূপ বা নলকূপের সাহায্যে জলসেচের প্রচলন দেখা যায়।
5) ★ভারতের কয়েকটি বহুমুখী নদী পরিকল্পনার নাম করো?
উত্তর:-
১) দামোদর উপত্যকা পরিকল্পনা,
২) ভাকরা নাঙ্গাল পরিকল্পনা,
৩) মহানদী পরিকল্পনা,
৪) ময়ূরাক্ষী পরিকল্পনা,
৫) নাগার্জুন পরিকল্পনা,
৬) কুশী পরিকল্পনা,
৭) তুঙ্গ ভদ্রা পরিকল্পনা।
6). ∆প্লাবন খাল:-
উত্তর:
প্লাবন খাল:-প্লাবন বা বর্ষার অতিরিক্ত জলরাশি ব্যবহার করার জন্য নদী থেকে যে খাল কাটা হয় তাকে প্লাবন খাল বলে। প্লাবন খাল এর মাধ্যমে কেবলমাত্র বর্ষাকালেই জলসেচ করা যায়। সেই জন্য এর গুরুত্ব বেশি নয়।
উদাহরণ—মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণ ও কাবেরী বদ্বীপ অঞ্চলে এই জাতীয় খাল দেখা যায়।
7) ∆ নিত্যবহ খাল:-
উত্তর:
নিত্যবহ খাল:-তুষার গলা জলে পুষ্ট নদী থেকে বা কৃত্রিম জলাধার থেকে যে খাল কাটা হয় তাকে নিত্যবহ খাল বলে। এই ধরনের খালের মাধ্যমে সারা বছর জল সেচের সুবিধা পাওয়া যায়। বর্তমানে বহুমুখী নদী পরিকল্পনার মাধ্যমে যেসব খাল কাটা হয়েছে তা সবই এই ধরনের খাল।
উদাহরণ—
আগ্রা খাল, সারদা খাল, ইডেন খাল, পেরিয়ার খাল।
মন্তব্যসমূহ