সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ভারতের বনভূমি

 ১) ভারতের বনভূমি সংরক্ষণ প্রয়োজনীয় কেন? 
অথবা,
ভারতে বনভূমি সংরক্ষণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন?
 উত্তর: ভারতে বনভূমি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব:-
ভারতের বনভূমি দেশের অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক সম্পদ। এই সম্পদকে প্রযুক্ত ভাবে সংরক্ষিত করলে মানুষের অশেষ কল্যাণ সাধিত হয় ‌। এই ধরনের জাতীয় সম্পদ কে পরিকল্পিতভাবে রক্ষা করা দরকার। বনভূমি সংরক্ষণের ফলে আমরা বিভিন্ন ভাবে উপকৃত হই। যেমন—
১) বনভূমি ভূমি ক্ষয় নিবারণ করে:-বনভূমির গাছের শিকড় মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে থাকে বলে ভূমিক্ষয় হয়না।
২) বনভূমি মাটির উর্বর শক্তি বৃদ্ধি করে:-গাছের পাতা, ফুল, মূল, কান্ড প্রভৃতি পছে মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি করে।
৩) বনভূমি মরুভূমির প্রসার রোধ করে:-বায়ুর গতিপথে বনভূমি থাকলে মরুভূমির প্রসার ঘটতে পারে না।
৪) বনভূমি জীবজগতের ভারসাম্য রক্ষা করে:-গাছেরা প্রাণিজগতের পক্ষে ক্ষতিকর বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে এবং শ্বাসকার্যের পক্ষে অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে।
৫) ভারতীয় বনভূমি বিভিন্ন সম্পদে সমৃদ্ধ:-বনভূমি থেকে বিভিন্ন প্রকার কাঠ, মধু, লাক্ষা, ফল, পশুখাদ্য প্রভৃতি পাওয়া যায়।
৬) বনভূমি বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে:-গাছের প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার ফলে বাষ্পীভবনের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বনভূমি এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৭) ভারতের প্রায়:-10 লক্ষ লোক বনভূমির বিভিন্ন সম্পদ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে।

∆ জাতীয় অরণ্য নীতি:-অনুসারে যেখানে দেশের মোট আয়তনের শতকরা 30 ভাগ এলাকায় বনভূমি থাকা দরকার, সেখানে ভারতে বনভূমির পরিমাণ শতকরা 19.40 ভাগ। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের বনভূমির আয়তন খুবই কম। এ দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে বনভূমি পরিষ্কার করে বসতি ও কৃষি জমিতে পরিণত করা য়ায় বনভূমির পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ, ভূমিক্ষয়, অনাবৃষ্টি প্রকৃতি নানারকম সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এই ধরনের প্রতিকূল অবস্থা থেকে প্রতিকার লাভের জন্য তাই ইদানিং ভারতে বনভূমি সংরক্ষণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

২) হিমালয় পর্বতের উচ্চঅক্ষাংশ সরলবর্গীয় বনভূমি দেখা যায় কেন?
 উত্তর:-
সাধারণত তুষারপাত অধ্যুষিত এলাকায় সরলবর্গীয় বনভূমি সৃষ্টি হয়। আর এই ধরনের প্রাকৃতিক পরিবেশ পূর্ব হিমালয়ের 2,500-4,000 মিটার উচ্চতায় এবং পশ্চিম হিমালয়ের 2,000-3,500 মিটার উচ্চতায় বিরাজ করেছে। এই অধিক উচ্চতায় শীতকাল দীর্ঘস্থায়ী। এখানে শীতের তীব্রতা যেমন বেশি, আবার এই এলাকায় তুষারপাত ও হয় বেশি। এইজন্য হিমালয় পর্বতের উচ্চ অংশে সরলবর্গীয় বনভূমি দেখা যায়।

 ৩) ভারতের সাভানা অঞ্চল কাকে বলে? কেন?
 উত্তর:-
রাজস্থান, কচ্ছ ও কাথিয়াবাড় উপদ্বীপ ও দাক্ষিণাত্যের মালভূমির বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলের তৃণভূমি কে ভারতের সাভানা অঞ্চল বলে। ঘাসের প্রাধান্যের জন্য এই অঞ্চলকে ভারতের সভানা অঞ্চল বলা হয়।

 ৪) বদ্বীপের লবণাক্ত মাটিতে ম্যানগ্রোভ অরণ্য দেখা যায় কেন?
 *উত্তর*:-সমুদ্র উপকূলে বা ব-দ্বীপের মাটিতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকায় ওই মাটিতে অক্সিজেন সরবরাহ খুব কম হয়। তাই সাধারণ গাছ এই মাটিতে জন্মাতে পারে না। এছাড়া এখানকার মাটি এঁটেল কদর এবং লবণাক্ত হয় ওই মাটিতে যথেষ্ট পরিমাণে জল থাকলেও সাধারণ গাছ তা গ্রহণ করতে পারে না। এইজন্য ব-দ্বীপের লবণাক্ত মাটিতে সুন্দরী, গরান, গেওয়া, হেতাল কেয়া, গোলপাতা, প্রভৃতি ম্যানগ্রোভ জাতীয় গাছ জন্মায়। এই ধরনের গাছ শ্বাসমূল এর সাহায্যে বায়ু থেকে সরাসরি অক্সিজেন শোষণ করতে পারে না। জোয়ার ভাটা ঢেউয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গাছগুলোর ঠেস মূল দেখা যায়। গাছগুলো সমুদ্রের নোনা জল সহ্য করতে পারেনা। তাছাড়া জোয়ারের জলে ডুবে গেলেও গাছগুলো মরে না।

 ৫) বৃক্ষরোপণে ভারতের সাধারণ মানুষকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে কেন?

 উত্তর:-বনভূমি থেকে আমরা নানাভাবে উপকৃত হই। নানা ধরনের শক্ত ও নরম কাঠ এবং বিভিন্ন প্রকার উপজাত দ্রব্য বনভূমি থেকে সংগ্রহ করা হয়। বনভূমি পরিবেশকে নির্মল ও দূষণমুক্ত করে। বনভূমি বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনভূমির ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। বনভূমি এত গুরুত্বপূর্ণ হলেও ভারতে বনভূমির পরিমাণ খুবই কম। জাতীয় অরণ্য নীতি অনুসারে যেখানে দেশের মোট আয়তন শতকরা 33 ভাগ এলাকা বনভূমি থাকা দরকার সেখানে ভারতের বনভূমির পরিমাণ শতকরা হাজার 19.47 ভাগ। এ দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে বনভূমি পরিষ্কার করে বসতিও কৃষি জমিতে পরিণত করাই বনভূমির পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ, ভূমিক্ষয়, অনাবৃষ্টি প্রভৃতি নানান রকম সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এই ধরনের প্রতিকূল অবস্থা থেকে প্রতিকার লাভের জন্য ইদানিং ভারতের সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

 ৬) জাতীয় অরণ্য নীতি(National forest policy)

 উত্তর: জাতীয় অরণ্য নীতি:-অনুসারে যেখানে দেশের মোট আয়তন শতকরা 33 ভাগ এলাকায় বনভূমি থাকা দরকার, সেখানে ভারতে বনভূমির পরিমাণ শতকরা 19.47 ভাগ। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের বনভূমির আয়তন খুবই কম। এ দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে বনভূমি পরিষ্কার করে বসতিও কৃষি জমিতে পরিণত করায় বনভূমির পরিমাণ ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে পরিবেশ দূষণ, ভূমিক্ষয়, অনাবৃষ্টি প্রভৃতি নানান রকম সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এই ধরনের প্রতিকূল অবস্থা থেকে প্রতিকার লাভের জন্য তাই ইদানিং ভারতে বনভূমি সংরক্ষণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

৭) ★ ভূমিক্ষয় এর প্রভাব বা ফলাফল আলোচনা করো?
 উত্তর: ভূমিক্ষয় প্রভাব বা ফলাফল:
ক) প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর প্রভাব:

১) মাটির উর্বরা শক্তি কমে যায়:-মাটি ছাড়া গাছপালা জন্মায় না। কারণ মাটি গাছকে পুষ্টির যোগান দেয়। তাই ভূমিক্ষয় হলে মাটির উর্বরতা কমে যাওয়ার সাথে সাথে গাছপালা পরিমাণ ও কমে যায়।

২) ভৌম জলস্তর নেমে যায়:-পলি, বালি ও কাদা কণা দিয়ে মাটি তৈরি হয়। ফলে মাটির মধ্যে অসংখ্য ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্রপথে জল ছুঁয়ে মাটির নিচে জল স্তর তৈরি করে। ফলে ভূমিক্ষয় হলে মাটির মধ্যে জলের যোগান কমে যাওয়ার সাথে সাথে ভৌম জল স্তর নেমে যায়।

৩) বিয়োজক দের বাসভূমি নষ্ট হয় এবং খাদ্য শৃঙ্খল ব্যাহত হয়:-মাটির মধ্যে ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিয়োজকরা বসবাস করে। এদের কাজ হলো গাছ ও প্রাণীর মৃতদেহ ও জৈব আবর্জনাকে দ্রুত পচিয়ে নষ্ট করা। এবং ঐসব পদার্থ থেকে পুষ্টিকর রাসায়নিক পদার্থ নিষ্কাশন করে মাটিতে জমিয়ে রাখা। তাই ভূমিক্ষয় হলে বিয়োযোগ দের বাসভূমি নষ্ট হয় এবং খাদ্য শৃঙ্খল ব্যাহত হয়।

৪) বন্যার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়:-ভূমিক্ষয়ের ফলে নদীর নাব্যতা কমে যায়। ফলে নদীতে বন্যার সম্ভাবনা দেখা যায়।

৫) জল চক্র ব্যাহত হয়:-মাটির বৃষ্টির জল ধরে রাখে। সূর্যের তাপে কিছুটা জল মাটি থেকে বাষ্পীভূত হয়। ওই বাষ্প পরে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটাতে সাহায্য করে। তাই ভূমিক্ষয় হলে জল চক্র ব্যাহত হয়।

৬) ভূমিক্ষয়ের ফলে বিভিন্ন জল ধারণ ক্ষমতা কমে যায়।

খ) মানবিক পরিবেশের ওপর প্রভাব :
১) কৃষি উৎপাদন হ্রাস পায়:-উর্বর মাটি হয়ে যাওয়ার ফলে ফসলের ফলন কমে যায়। তাই কৃষি উৎপাদন হ্রাস পায়।

২) নদী নৌ-পরিবহনের অযোগ্য হয়ে পড়ে:-ভূমিক্ষয় বেশি হলে মাটি দিয়ে অবশেষে নদীগর্ভে জমা হয়। ফলে নদীর গভীরতা হ্রাস পায়। নদী নৌপরিবহনে অযোগ্য হয়ে পড়ে।

৩) বন্দরের ক্ষতি হয়:-ভূমিক্ষয়ের ফলে নদী মরে গেলে নদীর মোহনায় গড়ে ওঠা বন্দরে ক্ষতি হয়।

৮) ★সংরক্ষন বলতে কী বোঝো?
 উত্তর:-জিমারম্যানের হতে “ভাবি পুরুষের মঙ্গলের জন্য বর্তমান প্রজন্মের ভোগ-বিলাসের নিয়ন্ত্রণকে সংরক্ষণ বলে”।

৯)  ★অরণ্য সংরক্ষণ বা বন সম্পদ সংরক্ষণ কাকে বল ?
 উত্তর:বনভূমি সংরক্ষণ (conservation of forest):-সমাজের যে দুর্দশা কল্যাণকর কর্মের মাধ্যমে বনভূমিকে সুরক্ষিত রাখা যায়, পরিবেশ সুস্থিত করা যায়, বর্ণ জীবজন্তুর আবাস নিরাপদ রাখা যায়, বনভূমি সৃজন করা যায়, সৃজন ও মমি কর্মকে অরণ্য সংরক্ষণ বা বন সংরক্ষণ বলে।

 ১০) ★বনভূমি সংরক্ষণ এর ভিত্তিতে ভারতের বনভূমিকে কয় শ্রেণীতে ভাগ করা যায়? কি কি?
 উত্তর:- 
১) খাশবন ( reserve forest) 
২) সংরক্ষিত বন (protected forest) 
৩)  অশ্রেণী ভুক্ত বোন(unclassified forest).

 ১১) ★ভারতে বনভূমি সংরক্ষণের জন্য কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে?
 উত্তর:- বনভূমি সংরক্ষণের পদ্ধতি:-
বিভিন্ন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বনভূমি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে কতগুলো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যথা—
১) বনমহোৎসব এর মাধ্যমে পতিত জমিতে বনভূমির সৃষ্টি।
২) খাস ও সংরক্ষিত বনভূমির বিস্তার ঘটানো।
৩) অপরিণত ও ছোট গাছ কাটা বন্ধ।
৪) পশুচারণ নিয়ন্ত্রণ।
৫) ঝুম চাষ বন্ধ।
৬) দাবানল নিয়ন্ত্রণ।
৭) পতিত ও আনাবাদী জমিতে অরণ্য সৃজন।
৮) যথেষ্টভাবে গাছ কাটা নিষেধ।
৯) অরণ্য সম্পদ এর উপকারিতা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে চেতনা বৃদ্ধি।
১২)  ★ সামাজিক বনসৃজন(social forestry):
 উত্তর: 
সংজ্ঞা:-সামাজিক দিক গোপন পরিকল্পনা অনুসারে বিভিন্ন ধরনের ও ব্যবহৃত পতিত জমিতে বনভূমি সৃষ্টির উদ্যোগকে সামাজিক বনসৃজন বলে।
 ∆ লক্ষ:-সামাজিক বনসৃজন এর লক্ষ্য হলো পতিত জমি ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণীর মানুষের উন্নতি ঘটানো।
  ∆ উদ্দেশ্য:-
১) পতিত ও পরিত্যক্ত জমিতে ব্যবহার করা।
২) গরিব লোক এদের আয় বৃদ্ধি করা।
৩)জল ও মাটি সংরক্ষণ করা।
৪)সংরক্ষিত বনভূমির উপর চাপ কমানো।
৫)গরিব লোক এদের জ্বালানি কাঠ, ফলমূল, পশু খাদ্যের যোগান দেওয়া।
৬)আমোদ-প্রমোদের ব্যবস্থা করা।
∆ বনসৃজন এর উপযুক্ত স্থান:
১) রেললাইন বা রাস্তার দু'পাশে ফাঁকা জমি।
২) নদীর বা খালেধার ও সমুদ্রের তীর বরাবর।
৩) কবরস্থান ও শ্মশান ঘাট।
৪) মরুভূমির আশেপাশে।
৫)নিম্নমানের কৃষিজমি।

মন্তব্যসমূহ

আকর্ষণীয় লেখা

Chotanagpur mineral and industrial complex: (ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল):

Chotanagpur mineral and industrial complex:   (ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল ও শিল্পাঞ্চল): 🚜 অবস্থান ও বিস্তৃতি ভারতের খনিজ ভান্ডার ও শিল্পসমৃদ্ধ ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল টি সমগ্র ঝাড়খন্ড রাজ্য (রাচি, হাজারীবাগ, সিংভূম , ধানবাদ এবং সাঁওতাল পরগনা জেলা) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া জেলার বিস্তারিত। 🚜 অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ: উত্তর অক্ষাংশ ২২ ডিগ্রি থেকে ২৫°৩০`[উত্তর অক্ষাংশ] দ্রাঘিমাংশ ৮৩°৪৭`-৮৭°৫০`[পূর্ব দ্রাঘিমাংশ] 🏗️ ক্ষেত্রফল: প্রায় ৮৬২৩৯ বর্গ কিলোমিটার। 🏭 স্থানের সাপেক্ষে অবস্থান: ছোটনাগপুর অঞ্চলের, উত্তরে মধ্য গঙ্গা সমভূমি, দক্ষিণে উড়িষ্যা রাজ্য ,পূর্বে নিম্ন গাঙ্গেয় সমভূমি ও পশ্চিম মধ্য প্রদেশ রাজ্য ও বাঘেলখন্ড মালভূমি অবস্থিত। 🏭 ভূপ্রকৃতি: রাচি মালভূমি, হাজারীবাগ মালভূমি, কোডারমা মালভূমি অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছোটনাগপুর মালভূমির গড় উচ্চতা ৪০০ থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত। ১)পূর্বদিকে ছোটনাগপুর মালভূমি ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় সমভূমি তে পরিণত হয়েছে এবং ধাপে ধাপে রাঢ় সমভূমি তে নেমে এসেছে। ২) পূর্বের এই সমভূমিতে অনেক ছোট ছোট টিলা দেখা যায়। ৩) ছোট...

ভূগোল জিকে স্টাডি

বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষার প্রস্তুতি  W.B.C.S /P.S.C/WBTET/CTET  1.সুন্দরলাল বহুগুনা যে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তা হল- নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন /চের্নোবিল দূর্ঘটনা /তেহরী বাঁধ বিরোধী আন্দোলন /সাইলেন্ট ভ্যালি আন্দোলন।  2.কৃষি ও শিল্পের সর্বাধিক উন্নতি ঘটেছে -নিরক্ষীয়/তুন্দ্রা/ভূ মধ্যসাগরীয়/ মৌসুমি জলবায়ুতে। 3.'প্যাগোডার' দেশ বলা হয়-শ্রীলঙ্কা/নেপাল/ ভুটান /মায়ানমার কে। 4.'স্লিট' বলতে বোঝায়- জলকণা/ শিশির ও জলকণা / তুষার কণা/জল ও তুষার কনা। 5.কোনটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি নয়-স্ট্রম্বলি/মাউন্ট পিলি/ক্রাকাতোয়া/ভিসুভিয়াস।  6.অভিসারী পাত সীমানার বিপরীত পাত সীমানার নাম-গঠনকারী/বিনাশকারী /নিরপেক্ষ /কোনটিই নয়। 7.টিটিকাকা হ্রদ অবস্থিত - বলিভিয়া/দাক্ষিণাত্য /পেরু/টিটিকাকা মালভূমিতে। 8.পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গম রপ্তানীকারক দেশ- আর্জেন্টিনা /কানাডা/ব্রাজিল/ভারত।  9.ওশিয়ানিয়ার সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম -মাউন্ট কুক/মাউন্ট এভারেস্ট /মাউন্ট উইলহেলম /মাউন্ট কোসিয়াস্কো। 10.ক্যারেজ প্রথায় চাষ করা হয় -শুষ্ক/ক্রান্তীয়/আর্দ্র/নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে।  11.সম্প্রতি পরমাণু দূর্ঘটনা ঘটেছে- ভোপাল/চিন/চের্...

Rabindranath Tagore's life, children, and books

Rabindranath Tagore's life, children, and books. Born: Rabindranath Tagore was born on May 7, 1861, in Calcutta, British India (present-day Kolkata, India). He was the youngest of thirteen children born to Debendranath Tagore and Sarada Devi. Children: Rabindranath Tagore had five children. Two of his children died in childhood, and the other three children were named Rathindranath Tagore, Madhurilata Tagore, and Renuka Tagore. Life: Rabindranath Tagore was a Bengali polymath who contributed significantly to the fields of literature, music, art, and education. He is widely regarded as one of the greatest poets and writers in the Bengali language and is the first non-European to win the Nobel Prize in Literature (1913). Tagore's writings addressed a range of topics, including patriotism, human relationships, and spirituality. He was also a social reformer who worked for the progress of the society and the upliftment of the marginalized sections of the society. He founded Shantin...

ভারতের জনসংখ্যা ও জনগণনা

 *ভারতের জনসংখ্যা ও জনগণনা* ★ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ। (চীন প্রথম) ★ভারতের ক্ষেত্রফল পৃথিবীর মোট ক্ষেত্রফল এর প্রায় 2.4%, অথচ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার 17.50% ভারতে বসবাস করে। ★ভারতে আদম শুমারি শুরু হয়েছিল 1872 সালে। স্বাধীন ভারতের প্রথম আদমশুমারি হয় 1951 সালে। ★ভারতের সর্বশেষ ও পঞ্চম আদমশুমারি হয় 2011 সালে। ∆2011 সালের জনগণনা অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য তথ্য∆ ★জনসংখ্যা ও জনঘনত্ব★ *ভারতের মোট জনসংখ্যা (Total Population) 121,01,93,422 যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা 62.3 কোটি(মোট জনসংখ্যার51.48%) এবং মহিলার সংখ্যা 58.68কোটি(মোটজনসংখ্যার48.52%)। *2001-11 সাল পর্যন্ত ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (Decadal Groth Rate)17.64%। এই সময়ে জনসংখ্যা বেড়েছে 18.2 কোটি। *ভারতে অপ্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা  (Child Population) (0-14 বছর) 37.24 কোটি(মোট জনসংখ্যার  প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা (Adult Population) (15-59 বছর) 72.95কোটি(মোটজনসংখ্যার 60.3%) এবং  60 বছরের উর্ধ্বের জনসংখ্যা(Old Age population)10.83কোটি(মোট জনসংখ্যার 8.9%) *ভারতের নির্ভরশীল জনসংখ্যা-48.07কোটি। *মোট প্রাপ্ত বয়স্ক জনসংখ্যার প্...

সিন্ধু নদীর গতিপথ ও উপনদীর বর্ণনা

  ★সিন্ধু (Indus) ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য পূর্ববর্তী নদী (Antecedent river) হল সিন্ধু। উৎস: তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে সিঙ্গ-খাবাব হিমবাহ থেকে সিন্ধু নদের উৎপত্তি হয়েছে। প্রবাহপথ : উৎস থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ট্রান্স হিমালয় অংশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর সিন্ধু নদ লাদাখ ও জাস্কার পর্বতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়েছে। লে শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যাক কোন নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এরপর সিন্ধু নদ নাঙ্গা পর্বতের গিরিখাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণমুখী বাক নিয়ে পাকিস্তানের উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে করাচির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে আরব সাগরে পতিত হয়েছে। দৈর্ঘ্য: সিন্ধুর মোট দৈর্ঘ্য 2880 কিমি. কিন্তু ভারতের এর মাত্র 800.75 কিমি প্রবাহিত হয়েছে। উপনদী : বাম তীরের পাঁচটি প্রধান উপনদী শতদ্রু, বিপাশা, ইরাবতী, চন্দ্রভাগা ও বিতস্তা। সিন্ধুর প্রধান উপনদী সমূহের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা উপনদীর নাম- বিতস্তা (Jhelum) দৈর্ঘ্য (কিমি)- 724  উৎস: কাশ্মীর উপত্যকার ভেরিনাগের   কাছে। মোহনা- শতদ্রুর  সাথে মিলিত হয়েছে। বিশেষ তথ্য:* এর উপনদী গুলি হল লিডার, সিন্ধ, পোহরু। * কাশ্মীর উপত্যকার মধ্য দিয়ে প্র...

ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয়ের কারণ ও মাটি সংরক্ষণ

১) ★ ভারতের মৃত্তিকা ক্ষয়ের কারণ গুলি উল্লেখ করো?  অথবা  ভারতে ভূমিক্ষয়ের কারণ গুলি আলোচনা করো?   উত্তর :- ভূমি মাটি ক্ষয়ের কারণ :- প্রধানত দুটি কারণে মাটি হয়ে যায় যেমন— ১) প্রাকৃতিক কারণ,  ২) মানবিক কারণ। ক) প্রাকৃতিক কারণ: ১) স্বল্প বনভূমি:- মাটির ওপর গাছপালা ঘন আবরণ না থাকলে নদীর জল, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টির জল ও সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে মাটি ক্ষয় হয়ে যায়। ২ ) খাড়া ঢাল:-    খাড়া পাহাড়ি ঢালে এর ওপর প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে ঐ বৃষ্টির জলের প্রভাবে মাটির সহজেই ধুয়ে বেরিয়ে যায়। ৩) আলগা মাটি : মাটিতে চটচটে আঠাল ভাব না থাকলে মাটির সহজেই খুজে যায়। এইজন্য মরুভূমির ধারে, সমুদ্রের ধারে মাটি তাড়াতাড়িয় ক্ষয়ে যায়। কারন এই সব এলাকায় মাটিতে বালির ভাগ বেশি থাকায় মাটির বাঁধন আলগা। খ)  মানবিক কারণ : ১) বনভূমি বিলপ:- অতিরিক্ত গাছ কাটার জন্য মাটির দানাগুলি আলগা হয়ে পড়ে। ফলে গাছের শিকড় আর তখন মাটি আঁকড়ে রাখতে পারেনা। ২) অতিরিক্ত পশুচারণ:- পাহাড়ি এলাকায় অতিরিক্ত পশুচারণ করা হলেও ভূমিক্ষয় হয়। ৩) ধাপ চাষ:- পাহাড়ের ঢা...

Here are the themes for International Day for Biological Diversity from 2000 to 2022

Here are the themes for International Day for Biological Diversity from 2000 to 2022: International Day for Biological Diversity This event (22 May, 9-10 EDT) will illustrate the critical interlinkages between freshwater and biodiversity and showcase the outcomes of the UN Biodiversity । International Day for Biological Diversity 22-May-2023 — The United Nations has proclaimed May 22 The International Day for Biological Diversity to increase understanding and awareness of .. International Day for Biological Diversity 2023 International Day of Biodiversity 12-May-2023 — In 2000, the UN General Assembly officially proclaimed May 22 to be the International Day for Biodiversity (IDB). 1. 2000 - "Biodiversity - Food, Water and Health for All" 2. 2001 - "Biodiversity and Poverty Alleviation" 3. 2002 - "Convention on Biological Diversity: Ten Years After" 4. 2003 - "Biodiversity and Biotechnology" 5. 2004 - "Biodiversity: Life Insurance for our Cha...